ছোটবেলা থেকেই দুর্গাপূজা আমার কাছে ছিল আনন্দ, উচ্ছ্বাস, বিস্ময় আর গভীর আবেগের এক অনন্য উৎসব। সিরাজগঞ্জ শহরের পরিচিত পথঘাট, পূজামণ্ডপের বর্ণিল আলোকসজ্জা, নতুন জামাকাপড় কেনার আনন্দ, ঢাকের শব্দ, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো এবং পূজার মেলাকে ঘিরে তৈরি হওয়া উৎসবমুখর পরিবেশ—সব মিলিয়ে দুর্গাপূজার দিনগুলো ছিল বছরের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সময়।
সারা বছর যেন অপেক্ষা করে থাকতাম সেই কয়েকটি দিনের জন্য। কখন পূজা আসবে, কখন নতুন পোশাক পরব, কখন বন্ধুদের সঙ্গে দল বেঁধে শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ দেখতে বের হব—এসব ভাবনাই শৈশবের দিনগুলোকে অন্য রকম আনন্দে ভরিয়ে রাখত।
আজ এত বছর পর ফিরে তাকালে বুঝতে পারি, সেই আনন্দের মূল্য কতখানি ছিল। তখন হয়তো হাতে ছিল না অনেক কিছু, কিন্তু মন ভরে ছিল অফুরন্ত কৌতূহল আর স্বপ্নে। সামান্য একটি নতুন জামা, পূজামণ্ডপের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিমা দেখা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে মেলায় ঘুরে বেড়ানোই ছিল বিরাট প্রাপ্তি। জীবনের সেই সহজ আনন্দগুলোই আজ স্মৃতির পাতায় অমূল্য সম্পদ হয়ে রয়েছে।
.
নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: [email protected]
.
প্রতিমা তৈরির বিস্ময়: চোখের সামনে মায়ের আবির্ভাব—
আজও চোখ বন্ধ করলে স্পষ্ট মনে পড়ে, স্কুল ছুটির পর কীভাবে ছুটে যেতাম মা দুর্গার প্রতিমা তৈরির কাজ দেখতে। প্রতিমা তৈরির প্রতিটি ধাপ আমার কাছে ছিল এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা। প্রথমে বাঁশ দিয়ে কাঠামো তৈরি, তারপর খড় দিয়ে অবয়ব গঠন, মাটির প্রলেপ, ধীরে ধীরে মুখমণ্ডল ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ফুটিয়ে তোলা—সবকিছুই যেন চোখের সামনে এক নতুন জগতের দরজা খুলে দিত।
এরপর আসত প্রতিমার সূক্ষ্ম কাজ। মুখের অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলা, চোখ আঁকা, রং করা, অলংকার পরানো এবং সাজসজ্জার মাধ্যমে দেবীমূর্তিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া—প্রতিটি পর্যায়ে প্রতিমার সৌন্দর্য আরও বেড়ে উঠত।
প্রতিদিন একটু একটু করে বদলে যেত প্রতিমার রূপ। প্রথম দিকে যে কাঠামোকে সাধারণ কিছু মনে হতো, কয়েক দিনের মধ্যেই তা হয়ে উঠত এক অপূর্ব দেবীমূর্তি। মনে হতো, আমাদের চোখের সামনেই যেন মা দুর্গা ধীরে ধীরে আবির্ভূত হচ্ছেন।
তখন বুঝতাম না এই শিল্পের পেছনে কতটা দক্ষতা, শ্রম, ধৈর্য ও সৃজনশীলতা কাজ করে। বুঝতাম না, প্রতিমা নির্মাণ শুধু একটি শিল্পকর্ম নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ধর্মীয় বিশ্বাস, লোকজ ঐতিহ্য, শিল্পীর জীবনসংগ্রাম এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার।
শুধু মুগ্ধ হয়ে দেখতাম। প্রতিমা তৈরির সেই দৃশ্যগুলো আমার শৈশবের কৌতূহলকে আরও বাড়িয়ে দিত। আজও মনে হয়, উৎসবের আনন্দ শুরু হয়ে যেত পূজার কয়েক দিন আগেই—যখন মৃৎশিল্পীর হাতের ছোঁয়ায় মাটির শরীরে ধীরে ধীরে প্রাণের অনুভব ফুটে উঠত।
.
১০ বন্ধুর দল, সিরাজগঞ্জের পূজামণ্ডপ এবং আলোকসজ্জার প্রতিযোগিতা—
একবার আমরা ১০ বন্ধু মিলে দল বেঁধে বেরিয়ে পড়েছিলাম সিরাজগঞ্জ শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখার জন্য। সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়লে আজও মনের মধ্যে একধরনের আনন্দের ঢেউ জেগে ওঠে। তখন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা ছিল আমাদের কাছে এক বিশেষ অভিযান। কোন মণ্ডপের প্রতিমা বেশি সুন্দর, কোথায় সাজসজ্জা বেশি আকর্ষণীয়, কোন জায়গায় আলোর খেলা সবচেয়ে চমৎকার—এসব নিয়ে চলত আমাদের আলোচনা ও মতামত। এক মণ্ডপ থেকে আরেক মণ্ডপে যাওয়ার সময় ক্লান্তির কথা মনে থাকত না; বরং নতুন কিছু দেখার আগ্রহ আমাদের আরও এগিয়ে নিয়ে যেত।
সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে সিরাজগঞ্জ শহর যেন নতুন রূপ ধারণ করত। রঙিন বাতির আলোয় মণ্ডপগুলো ঝলমল করত, মানুষের আনাগোনায় মুখর হয়ে উঠত চারপাশ। কোথাও ঢাকের বাদ্য, কোথাও ভক্তদের ভিড়, কোথাও প্রতিমাদর্শনের দীর্ঘ সারি—সব মিলিয়ে শহরের পরিবেশে তৈরি হতো এক অনন্য উৎসবের আবহ।
আজকের মতো হাতে হাতে স্মার্টফোন, মুহূর্তে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ তখন ছিল না। কিন্তু আমাদের আনন্দের গভীরতা হয়তো কোনো অংশেই কম ছিল না। চোখ দিয়ে দেখতাম, মন দিয়ে অনুভব করতাম, আর বন্ধুদের সঙ্গে সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতাম।
সেই ১০ বন্ধুর সঙ্গে কাটানো সময়গুলো আজ মনে করিয়ে দেয়, শৈশবের আনন্দের জন্য খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন হয় কিছু আপন মানুষ, একটু অবসর, অজানাকে দেখার আগ্রহ এবং একসঙ্গে হাসতে পারার স্বাধীনতা।
.
যমুনা ঘাটের বিসর্জনের মেলা: আনন্দ, কোলাহল ও শৈশবের বিস্ময়—
সিরাজগঞ্জের দুর্গাপূজার স্মৃতিতে যমুনার ঘাটের বিসর্জনের মেলার কথা আলাদা করে বলতেই হয়। বিসর্জনের দিন ঘাটকে ঘিরে বসত বিশাল মেলা। বিশেষ করে আসবাবপত্রের বড় বাজারের জন্য মেলাটির আলাদা পরিচিতি ছিল।
নানা ধরনের আসবাব, কাঠের তৈরি জিনিস, দোকানপাট, কেনাবেচা, মানুষের ভিড় এবং নদীর পাড়ের উৎসবমুখর পরিবেশ—সব মিলিয়ে পুরো এলাকা হয়ে উঠত প্রাণচঞ্চল। শিশু-কিশোরদের কাছে মেলা মানেই ছিল বিস্ময় আর আনন্দের এক বিশাল জগৎ।
মেলায় প্রবেশ করলেই মনে হতো, কত কিছুই না দেখার বাকি! একদিকে দোকানের সারি, অন্যদিকে মানুষের ব্যস্ততা; কোথাও কেনাবেচা, কোথাও পরিচিতজনদের সঙ্গে দেখা, কোথাও শিশুদের উচ্ছ্বাস। প্রতিটি দৃশ্যই আমাদের কাছে ছিল নতুন অভিজ্ঞতা।
আমাদের কাছে মেলার আনন্দ কেবল কিছু কেনাকাটার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, পছন্দের জিনিস দেখা, নানা ধরনের দোকান পর্যবেক্ষণ করা এবং মানুষের ভিড়ের মধ্যে নতুন নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করাই ছিল বড় আনন্দ।
যমুনার পাড়ে দাঁড়িয়ে নদীর বিস্তৃত জলরাশি দেখা, ঘাটে মানুষের আনাগোনা এবং বিসর্জনকে ঘিরে তৈরি হওয়া আবেগময় পরিবেশ—এসব দৃশ্য মেলাকে আরও বিশেষ করে তুলত।
আজকের দিনে ফিরে তাকালে মনে হয়, সেই মেলার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল শুধু কেনাবেচা নয়, স্থানীয় অর্থনীতি, সামাজিক যোগাযোগ, পারিবারিক আনন্দ এবং একটি জনপদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়। মেলা ছিল মানুষের মিলনস্থল, যেখানে নানা বয়সের মানুষ একসঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতেন।
সময়ের সঙ্গে মেলার ধরন বদলেছে, মানুষের জীবনযাত্রা বদলেছে, বদলেছে উৎসবকে উপভোগ করার পদ্ধতিও। কিন্তু যমুনা ঘাটের সেই মেলার স্মৃতি আমার কাছে এখনো শৈশবের এক অমূল্য অধ্যায়।
.
বিসর্জন: আনন্দের শেষে বিষণ্ন বিদায়—
দুর্গাপূজার দিনগুলো যতই আনন্দময় হোক, বিসর্জনের মুহূর্তে এসে মন ভারী হয়ে উঠত। কয়েক দিনের উৎসব, বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি, আলোকসজ্জা, প্রতিমা দর্শন এবং মেলার আনন্দের পর যখন দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর সময় আসত, তখন মনে হতো আনন্দের একটি বিশেষ অধ্যায় বুঝি শেষ হয়ে গেল।
ঢাকের শব্দ, মানুষের সমাগম, শোভাযাত্রার ব্যস্ততা এবং নদীর ঘাটে বিসর্জনের দৃশ্য—সবকিছু মিলিয়ে তৈরি হতো এক আবেগঘন পরিবেশ। দেবীকে বিদায় জানানোর মধ্যে যেমন ছিল ধর্মীয় অনুভূতি, তেমনি ছিল আবার এক বছর অপেক্ষা করার বিষণ্নতা।
শিশুমনে সেই অনুভূতি হয়তো স্পষ্ট ভাষায় প্রকাশ করতে পারতাম না। কিন্তু পূজা শেষ হয়ে যাওয়ার পর যে শূন্যতা তৈরি হতো, তা অনুভব করতাম গভীরভাবে।
মনে হতো, এত দিনের অপেক্ষা, এত আনন্দ, এত আয়োজন—সব যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। আবার সেই পরিচিত দিনগুলো ফিরে পেতে অপেক্ষা করতে হবে দীর্ঘ একটি বছর।
আজ বুঝি, বিসর্জনের এই বিষণ্নতাও উৎসবের সৌন্দর্যের অংশ। যে আনন্দ আমাদের হৃদয়কে পূর্ণ করে, তার সমাপ্তি স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা শূন্যতা তৈরি করে। আর সেই শূন্যতার মধ্য দিয়েই হয়তো আমরা আনন্দের প্রকৃত মূল্য উপলব্ধি করি।
.
সময় বদলেছে, বদলেছে উৎসবের রূপ—
সময়ের সঙ্গে অনেক কিছুই বদলে গেছে। শৈশব পেরিয়ে কৈশোর এসেছে, কৈশোর পেরিয়ে যৌবন। জীবনের ব্যস্ততা বেড়েছে, দায়িত্ব বেড়েছে, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ধরন বদলেছে। যে শহরের পথ ধরে একসময় বন্ধুদের সঙ্গে নির্ভারভাবে ঘুরে বেড়াতাম, সেই শহরও সময়ের প্রবাহে নতুন রূপ ধারণ করেছে।
একসময় পূজামণ্ডপের আলোকসজ্জা দেখতে বের হওয়া, মেলার দোকান ঘুরে দেখা কিংবা প্রতিমা তৈরির কাজ পর্যবেক্ষণ করাই ছিল আনন্দের বড় উৎস। এখন প্রযুক্তি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং আধুনিক আয়োজন উৎসবকে উপভোগ করার নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।
কিন্তু আধুনিকতার সঙ্গে সঙ্গে কিছু পুরোনো অভিজ্ঞতা হয়তো আগের মতো আর অনুভব করা যায় না। সেই নির্ভার সময়, বন্ধুত্বের সরলতা, সামান্য আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠা কিংবা কোনো বিশেষ ঘটনার জন্য সারা বছর অপেক্ষা করার অনুভূতি—এসবের স্বাদ ছিল আলাদা।
তবুও পরিবর্তনকে অস্বীকার করার উপায় নেই। প্রতিটি প্রজন্ম নিজস্ব অভিজ্ঞতা নিয়ে বড় হয়, নিজেদের মতো করে উৎসবকে আবিষ্কার করে। নতুন প্রজন্মের কাছে দুর্গাপূজার স্মৃতি তৈরি হবে নতুন পরিবেশে, নতুন আনন্দে, নতুন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।
আমাদের দায়িত্ব হলো অতীতকে আঁকড়ে ধরে বর্তমানকে অস্বীকার করা নয়; বরং স্মৃতি ও ঐতিহ্যের মূল্য বুঝে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে সেগুলোকে সুন্দরভাবে তুলে ধরা।
.
শুভ বিজয়া: ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও নতুন আশার বার্তা—
বিজয়া দশমী দুর্গোৎসবের সমাপ্তির বার্তা নিয়ে এলেও এর মধ্যে রয়েছে নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়। দেবী দুর্গার বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা ফিরে যাই দৈনন্দিন জীবনে, কিন্তু উৎসবের আনন্দ, মানুষের সঙ্গে মিলন এবং পারস্পরিক ভালোবাসার অনুভূতি আমাদের হৃদয়ে থেকে যায়।
শুভ বিজয়া আমাদের মনে করিয়ে দেয়, উৎসবের প্রকৃত সৌন্দর্য কেবল আয়োজনের জাঁকজমকে নয়; এর সৌন্দর্য মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক, আন্তরিকতা, শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির মধ্যে।
শৈশবের সেই দুর্গাপূজা আমাকে শিখিয়েছে, আনন্দ ভাগ করে নিলে তা আরও গভীর হয়। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, পরিচিত মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া এবং একসঙ্গে উৎসব উপভোগ করার মধ্যেই জীবনের অনেক সুন্দর মুহূর্ত লুকিয়ে থাকে।
আজ তাই শুভ বিজয়ার এই সময়ে অতীতের স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই। কামনা করি, সবার জীবন ভরে উঠুক সুখ, শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধিতে। পরিবারে পরিবারে বিরাজ করুক ভালোবাসা, সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক সম্প্রীতি, আর নতুন প্রজন্ম বেড়ে উঠুক মানবিকতা, নৈতিকতা ও উদারতার মূল্যবোধ নিয়ে।
জীবন বদলাবে, সময় এগিয়ে যাবে, শহরের রূপ বদলাবে, অনেক ঐতিহ্য হয়তো একদিন স্মৃতির অংশ হয়ে থাকবে। কিন্তু শৈশবের সেই আনন্দ, সেই আবেগ এবং সেই ভালোবাসা হৃদয়ের গভীরে চিরকাল বেঁচে থাকবে।
কারণ, দুর্গাপূজা শুধু একটি উৎসব নয়—দুর্গাপূজা এক অনুভূতি, এক নস্টালজিয়া, এক অমলিন ভালোবাসার নাম।
পূজা মানে স্মৃতির জানালা খুলে ফেলে আসা দিনগুলোকে ফিরে দেখা।
পূজা মানে পরিবার, বন্ধুত্ব, আনন্দ, মিলন আর একসঙ্গে কাটানো অসংখ্য মুহূর্ত।
পূজা মানে সিরাজগঞ্জের সেই চেনা পথঘাট, যমুনা ঘাটের মেলা, আলোকসজ্জায় ঝলমল করা পূজামণ্ডপ আর হারিয়ে যাওয়া শৈশবের কাছে ক্ষণিকের জন্য ফিরে যাওয়া।
সেই সোনালি দিনগুলোর স্মৃতির প্রতি ভালোবাসা জানিয়ে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভ বিজয়া ২০২৬।
সম্পাদক ও সিইও: মামুনুর রশীদ নোমানী ।
যোগাযোগ: ইমেইল: [email protected] মোবাইল: 01713799669 / 01712596354
কপিরাইট © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত Bd24news.com