February 25, 2024, 12:15 pm
শিরোনাম:
মনোহরদীতে শীতার্তদের মাঝে মন্ত্রীপুত্রের শীতবস্ত্র বিতরণ মনোহরদীতে পাট চাষীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে অর্থের বিনিময়ে মেহেদী পত্রিকার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের কলেজ ছাত্র সোহেল কে হয়রানির অভিযোগ মনোহরদীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ছয় লাখ টাকা জরিমানাসহ গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে ইটভাটা মনোহরদীতে মন্ত্রীপুত্রকে ফাঁসাতে মিথ্যা নাটক সাজানোর প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা ও মাটি কাটার অপরাধে ৪ জনকে কারাদণ্ডসহ ৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড, এক্সক্যাভেটর আটক ফেসবুকে ভিডিও ভাইরাল, ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক নৌকার ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা মনোহরদীতে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে পোশাক বিতরণ মনোহরদীতে শীতার্তদের মাঝে ইউএনও র শীতবস্ত্র বিতরণ মনোহরদীতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “আমরা মনোহরদীর সন্তান” এর ১যুগ পূর্তি উদযাপন

ঈশ্বরগঞ্জে ড্রাগন চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন কৃষক জিয়াউর

তাপস কর,ময়মনসিংহ
  • আপডেটের সময় : রবিবার, জুলাই ৫, ২০২০
  • 685 দেখুন

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ড্রাগন চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন কৃষক জিয়াউর রহমান। কৃষকের বাড়ি উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের দত্তগ্রামে। সরেজমিন দত্তগ্রামে গিয়ে দেখা যায় কৃষক জিয়া ২৮ শতক জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ করেছেন।

উপজেলায় একমাত্র ড্রাগন বাগান হওয়ায় বিভিন্ন এলাকার মানুষ ড্রাগন গাছ ও ফল দেখার জন্য বাগানে ভীড় করছেন। এই বাগান দেখে এলাকার অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক ড্রাগন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে। কৃষক জিয়া বলেন বিটিভিতে মাটি ও মানুষের অনুষ্ঠানে ড্রাগন চাষের প্রতিবেদন দেখে তিনি আগ্রহী হয়ে উঠেন।

২০১৯ সালে কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জার্ম প্লাজম সেন্টার থেকে চারা সংগ্রহ করে ২৮ শতক জমিতে ১শ ৬০টি মাদায় পিলার স্থাপন করেন। প্রতি পিলারে ৪টি করে ড্রাগন ফলের চারা রোপন করেন। চাষকৃত জায়গায় বাগান করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৫লক্ষ টাকা। রোপনের ১ বছর পর গত মে মাস থেকে গাছে ফুল ও ফল ধরতে শুরু করেছে।

তিনি জানান একটি গাছ থেকে ২৫ থেকে ৩০ কেজি ফল পাওয়া যায়। প্রতি কেজি ফলের মূল্য চারশ টাকা। এই বাজার দর অনুযায়ী ভালো ফলন হলে বাগান থেকে বছরে ১০ লক্ষ টাকার ফল বিক্রি করতে পারবেন।

স্থানীয় বাজারে চারার ব্যাপক চাহিদ রয়েছে। প্রতিটি চারার মূল্য ৩০ টাকা দরে তিনি ৯০ হাজার টাকার চারা বিক্রি করতে পারবেন। লাল ও সাদা দুধরনের ড্রাগন ফল রয়েছে বাগানে। উক্ত বøকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা জানান, ড্রাগন এভম্ভব করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

একবার বাগান গড়ে তুলতে পারলে ২০ বছর পর্যন্ত একটানা ফলন পাওয়া যায় এবং আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাধন কুমার গুহ মজুমদার বলেন, ড্রাগন ক্যাকটাস প্রজাতির উদ্ভিদ। এর ফল সুমিষ্ট ও পুষ্টিকর যার রয়েছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। এ ফলে রয়েছে ব্যাপক আয়রন ও এন্টিঅক্সিডেন্ট।

প্রতিকূল আবহাওয়ায় ড্রাগন টিকে থাকতে পারে। ড্রাগনে রোগ বালাই নেই বললেই চলে। ড্রাগন একটি লাভজন চাষ । এ চাষ করে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

https://bd24news.com © All rights reserved © 2022

Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102