June 14, 2024, 8:39 am
শিরোনাম:
মনোহরদীতে দিনব্যাপী পাট চাষী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত মনোহরদীতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে বেধরক মারধরের অভিযোগ মনোহরদীতে জনমত জরিপ ও প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী তৌহিদ সরকার মনোহরদীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী “আলোকিত গোতাশিয়া” ফেসবুক গ্রুপের পক্ষহতে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ মনোহরদীতে অসহায়দের মাঝে শিল্পমন্ত্রীর ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ মনোহরদীতে ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে খননযন্ত্র ও বালুর স্তুপ জব্দ এতিম শিশুদের নিয়ে ইফতার করলেন মনোহরদীর ইউএনও হাছিবা খান ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে বিজয়ী মনোহরদীর সন্তান এ্যাড.কাজী হুমায়ুন কবীর মনোহরদীতে ব্রক্ষ্মপুত্র নদীতে অভিযান ১০টি ম্যাজিক জাল জব্দ

বান্ধবীদের সাহসী পদক্ষেপে ব্যবসায়ীর থেকে রক্ষা পেল কিশোরী।

ফজলার রহমান গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:-
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২০
  • 674 দেখুন

তিন বান্ধবীর সাহসী পদক্ষেপে বয়স্ক ডিম ব্যবসায়ীর কুদৃষ্টি থেকে রক্ষা পেয়েছে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হরিনাবাড়ী এলাকার ১৪ বছর বয়সী মিম নামে এক কিশোরী।

জানা গেছে, শুক্রবার (১৭জুলাই) সকাল ৮ ঘটিকায় পলাশবাড়ী
উপজেলার হরিনাবাড়ী পুলিশি তদন্ত কেন্দ্রে হাজির হয় তিন ১৩/১৪
বছর বয়সী মেয়ে। তারা হাজির হয়ে পুলিশকে জানায়, হরিনাবাড়ী
মিম নামে ১৪ বছর বয়সী এক নাবালিকা মেয়েকে জোর করে তার
বাবা ও মা রাজশাহীতে নিয়ে যাচ্ছে। তাকে নেয়ার জন্য ০১টি কার এসেছে।

জানা গেছে, গত ০৩ মাস ধরে রাজশাহীর জনৈক জলিল নামে এক লোকের (ডিম ব্যবসায়ী)ভাড়া বাসায় মিমের বাবা ও মা থাকত।
মিমের বাবা ডিম বিক্রি সহায়তা করত। তার মা অন্যান্য কর্মচারীদের রান্না করত।
রান্নার পর মিম খাবার বাটিতে করে জলিলের রুমে দিয়ে আসত।
জলিলের রুমে যাওয়ার সুযোগে মিমের সাথে বিভিন্ন সময় খারাপ আচরণ
সহ অস্বাভাবিক ব্যবহার করত। জলিলের ব্যবহার সম্পর্কে মিম তার বাবা ও মাকে বলার সাহস পায় নাই। গত ০৮/১০ দিন আগে মিম
তার বাবা ও মা সহ গ্রামে আসলে সেখানে তার বান্ধবী সহ চাচীদের বিষয়টি খুলে বলে।

পরবর্তীতে মিমের মুখে বিস্তারিত শুনে পুলিশ জানতে পায়, রাজশাহীর জনৈক জলিল একজন বয়স্ক লোক। তার ০২ জন বউ ও সন্তান আছে। খারাপ প্রকৃতির। তার সাথে খারাপ আচরন করে। তাকে বিয়ে করতে চায়। বিয়ে করে ভারতে নিয়ে যাবে। তার মা ও বাবাকে টাকা দিয়েছে আরো দিবে । তার ভাইকে চাকুরী দিতে চেয়েছে। মিমের কথা বিস্তারিত শুনে সে রাজশাহীতে না যাতে চাওয়ায় তাকে তার চাচার জিম্মায় প্রদান করে পুলিশ।এসময় তার বাবা ও মাকে রাজশাহীতে জোর করে না নিয়ে যাবার ব্যাপারে সতর্ক করে পুলিশ।এ ঘটনার সত্যতা হরিনাবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ রাকিব হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

https://bd24news.com © All rights reserved © 2022

Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102