April 13, 2024, 9:52 pm
শিরোনাম:
“আলোকিত গোতাশিয়া” ফেসবুক গ্রুপের পক্ষহতে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ মনোহরদীতে অসহায়দের মাঝে শিল্পমন্ত্রীর ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ মনোহরদীতে ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে খননযন্ত্র ও বালুর স্তুপ জব্দ এতিম শিশুদের নিয়ে ইফতার করলেন মনোহরদীর ইউএনও হাছিবা খান ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে বিজয়ী মনোহরদীর সন্তান এ্যাড.কাজী হুমায়ুন কবীর মনোহরদীতে ব্রক্ষ্মপুত্র নদীতে অভিযান ১০টি ম্যাজিক জাল জব্দ মনোহরদী থানার ওসি আবুল কাশেম ভূঁইয়া পেলেন পিপিএম-সেবা পদক মনোহরদীতে ওকাপের ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল শীর্ষক মতবিনিময় সভা মনোহরদীতে শীতার্তদের মাঝে মন্ত্রীপুত্রের শীতবস্ত্র বিতরণ মনোহরদীতে পাট চাষীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহের নান্দাইললে পানিতে থইথই খাদ্য গুদাম।

তাপস কর,ময়মনসিংহ ব্যুরো চিফ
  • আপডেটের সময় : সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০
  • 281 দেখুন

অধিক জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান খাদ্য গুদাম। ভাদ্রের দুপুরে অবিরাম বৃষ্টির পর ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খাদ্য গুদামের জুড়ে ঢেউ খেলছে বৃষ্টির পানি। ফলে দিনের কাজে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার প্রয়োজনীয় ড্রেনেজের অভাবে সামান্য বৃষ্টি হলেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

এই অবস্থায় বিপাকে পড়ে খাদ্য গুদামের অভ্যন্তরের সবাই। একরকম পানিবন্দি থাকতে হয় কয়েকদিন।কর্মদিবস আজ সোমবার দুপুর থেকে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম। চারটি গুদামের ভেতর পানি ছুঁই ছুঁই অবস্থায়। লাগাতার বৃষ্টি হলে মালামালভর্তি গুদামগুলোর ভেতরে পানি প্রবেশ করবে। সরেজমিনে গিয়ে দুপুর ১টার দিকে মাত্র এক ঘণ্টার বর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ সড়কের হাসপাতাল মোড়, খাদ্য গুদামের ভেতরে জলাবদ্ধতা দেখা যায়।
এতে চরম দুর্ভোগে পড়ে পথচারী ও হাসপাতালগামীরা। সড়কের গর্তে পড়ে অনেকের গাড়ি আটকে রয়েছে। পথচারীদের হাঁটুর ওপর কাপড় তুলে চলাচল করতে দেখা গেছে। রোগীদের পাঁজাকোলা করে হাসপাতালে নিতে হচ্ছে।
হাসপাতাল সড়কের পাশের দোকানের একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, ১৯৯৭ সালে নান্দাইল পৌরসভায় উন্নীত হয়। এরপর ২৩ বছর পার হয়ে গেলেও এই সড়কের কোনো পাশেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি। ফলে বৃষ্টির পানি বাসাবাড়ির ভেতর দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত সড়কেই জমে থাকে। জলাবদ্ধতার কারণে মানুষের ভোগান্তি শুরু হয়।
গুদামের শ্রমিকরা জানান, ভারি বৃষ্টি হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই গুদামের ভেতরের শুকনো জায়গা পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। যে পর্যন্ত পানি বের না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত গুদামের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়।
নান্দাইল উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শেখ হোসেন সারোয়ার বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই খাদ্য গুদামের ভেতর পানি জমে যায়। রোদ না উঠলে পানি যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। এ অবস্থায় বৃষ্টির দিনে কর্মদিবসে কাজ করতে মারাত্মক বিপাকে পড়তে হচ্ছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

https://bd24news.com © All rights reserved © 2022

Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102