May 21, 2024, 4:06 pm
শিরোনাম:
মনোহরদীতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে বেধরক মারধরের অভিযোগ মনোহরদীতে জনমত জরিপ ও প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী তৌহিদ সরকার মনোহরদীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী “আলোকিত গোতাশিয়া” ফেসবুক গ্রুপের পক্ষহতে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ মনোহরদীতে অসহায়দের মাঝে শিল্পমন্ত্রীর ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ মনোহরদীতে ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে খননযন্ত্র ও বালুর স্তুপ জব্দ এতিম শিশুদের নিয়ে ইফতার করলেন মনোহরদীর ইউএনও হাছিবা খান ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে বিজয়ী মনোহরদীর সন্তান এ্যাড.কাজী হুমায়ুন কবীর মনোহরদীতে ব্রক্ষ্মপুত্র নদীতে অভিযান ১০টি ম্যাজিক জাল জব্দ মনোহরদী থানার ওসি আবুল কাশেম ভূঁইয়া পেলেন পিপিএম-সেবা পদক

লকডাউনে ভালো নেই শ্রমজীবিরা

তাপস কর,ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : বুধবার, এপ্রিল ৭, ২০২১
  • 222 দেখুন

ময়মনসিংহ সদর স‍্যার লোক লাগবো কাজ বুঝে টাকা দিয়েন। শরীরে লুঙ্গির সাথে গেঞ্জি বা শার্ট পরিহিত। কারো হাতে কোদাল আবার কারো হাতে কাজ করার অন্য কোনো সরঞ্জাম। কাজের সন্ধানে অপেক্ষায় আছে কেউ- যদি তাদের নেয়। অপরদিকে পাশেই আরেক চিত্র ওষুধ কম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভ দলবেঁধে ক্লিনিকের সামনে অপেক্ষায় আছে চিকিৎসকদের সাথে দেখা করতে। কিন্তু বর্তমান সময়ের এই লকডাউনের মধ্যে কেউ কাজ চেয়ে পাচ্ছেন না আবার কাজ থাকলেও অলস দিন পার করছেন।
আজ বুধবার সকালে এ ধরনের দৃশ্য দেখা গেছে ময়মনসিংহ জেলা সদরের চরপাড়া মোড় এলাকায়।

সেখানে উপস্থিত থেকে দেখা গেছে, বন্ধ দোকানের সামনে ড্রেনের স্লাবের ওপর বসে এদিক-সেদিক দলবেঁধে জটলা করে দাঁড়িয়ে আছে ২০/২৫ জন বিভিন্ন বয়সের লোক। কেউ হাতে নিয়ে এসেছেন কোদাল, কারো হাতে দা বা অন্যান্য যন্ত্রপাতি। কাছে যাওয়া মাত্রই জটলা থেকে কাছে এসে জিজ্ঞাস করছেন, ‘স্যার লোক লাগবো? কাজ বুঝে টাকা দিয়েন, কথা কঅন লাগতো না।

লাগবে না জেনে গেলেই মন খারাপ করে আগত অন্য একজনকে ঘিরে ধরছে। এভাবেই কাজের সন্ধ্যানে ব্যতিব্যস্ত তারা। প্রায় দুই ঘণ্টা অবস্থান করেও তাদের ভাগ্যে জোটেনি কোনো কাজ। আর সে সময় পাশেই একটি ক্লিনিকের সামনে মোটরসাইকেল থেকে নেমে পর্যায়ক্রমে আসছেন চাকচিক্য সাজে সজ্জিত হয়ে বিভিন্ন ওষুধ কম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভগণ। তারা ওই সময়ের মধ্যে একজন চিকিৎসকের দেখা পাননি।
তাদের অনেকেই বলেন, চিকিৎসক আসবেন ভেবেই তার সাথে সাক্ষাত করতেই এখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অবস্থান করেও দেখা পাচ্ছেন না। কখন দেখা পাবেন আদৌ পাবেন কি-না তা বলা মুশকিল। তারপরও হাল ছাড়ছেন না।
এখানে উপস্থিত সীমান্ত ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের এক দারোয়ান জানান, লকডাউনের কারণে চিকিৎসকদের আসার সময়ের কোনো ঠিক নেই। কেউ যেকোনো সময় একবার আসেন আবার অনেকেই আসেন না। জরুরি রোগীরাও দূর-দূরান্ত থেকে এসে ফিরে যাচ্ছেন।
সামিউল হাসান নামে একটি ওষুধ কম্পানির কর্মী জানান, তাকে প্রতিদিনই এখানে আসতে হচ্ছে। এটা অফিসের নির্দেশ। ফলে চিকিৎসক না পেয়ে এক রকম অলস দিন পার করছি।
অন্যদিকে ত্রিশাল থেকে আসা জমির ও নয়ন মিয়া জানান, তাদের সংসারে ৫-৬ জন সদস্য। তাদের আহার যোগাড় করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় স্থানীয়ভাবে কোনো কাজ তারা করতে পারছে না। তাই বাধ্য হয়েই শহরমুখী হচ্ছেন। যদি কাজ করে কিছু টাকা পাওয়া যায়-এই আশায়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

https://bd24news.com © All rights reserved © 2022

Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102