
জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রতিবেদন বলছে, ২০২৫ সালে বিশ্বের ডেটা সেন্টারগুলো ৪৪৮ টেরাওয়াট-ঘণ্টা (টিডব্লিউএইচ) বিদ্যুৎ খরচ করেছে, যা তুলনায় সৌদি আরবের মোট বিদ্যুৎ খরচের চেয়েও বেশি। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে এ খরচ প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে!
.
বিকেল ৪টায় ফাহিম (ছদ্মনাম) মজা করে একের পর এক এআই ছবি বানাচ্ছিল। সে জানত না, তার ফোনের পর্দার ওপারে বিশাল এক ভবন তখন বিদ্যুৎ আর পানি খরচ করে চলেছে ডেটা সেন্টারের জ্বালানি জোগাতে।
ডেটা সেন্টার বা তথ্যকেন্দ্র হলো হাজার হাজার কম্পিউটারে ভরা এক বিশাল ভবন, যেখানে এআই ‘চলে’। যন্ত্রগুলো গরম হয়, তাই ঠান্ডা রাখতে লাগে প্রচুর পানি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাধারণ লেখার চেয়ে ছবি বা ভিডিও বানাতে অনেক বেশি শক্তি লাগে। খরচও হয় বেশি পানি/বিদ্যুৎ।
.
ঝুঁকিটা কোথায়?
প্রতিবেদনের ভাষ্য, এআই পৃথিবীর সব বিদ্যুৎ বা পানি শেষ করে ফেলবে না। অন্যদিকে এআই বিদ্যুৎ গ্রিড আরও দক্ষভাবে চালাতেও সাহায্য করতে পারে। তবে পরিকল্পনাহীন সম্প্রসারণে কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় চাপ বাড়তে পারে।
.
তাই সচেতন ব্যবহার জরুরি। দরকারে ছবি বানান, শখের বশে অকারণে বারবার নয়। একই প্রশ্ন দশবার না করে একবার পরিষ্কার করে লিখুন। এসব ছোট অভ্যাস একার জন্য সামান্য মনে হলেও কোটি কোটি ব্যবহারকারীর হিসাবে বিশাল পার্থক্য গড়ে দেয়।
তাহলে এআই কি পরিবেশের শত্রু? তা নয়। আসলে প্রশ্নটা হলো, কতটা খরচের বিনিময়ে আমরা কী পাচ্ছি।