
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের প্রাণহানির সাত দিনের মধ্যে এবার শহরের সুগন্ধা পয়েন্ট-সংলগ্ন তারকা হোটেল দ্য সি প্রিন্সেসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার বিকেলে হোটেলটির নিচতলার পার্কিং এলাকায় আগুন লাগে।
.
এ সময় হোটেলের শতাধিক কক্ষে প্রায় ৩০০ পর্যটক অবস্থান করছিলেন। আগুন লাগার পর তাঁরা দ্রুত হোটেল থেকে বেরিয়ে পাশের সৈকতে আশ্রয় নেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
.
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ বিকেল চারটার দিকে হোটেলটির পার্কিং এলাকায় আগুনের সূত্রপাত হয়। ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখে পথচারী ও হোটেলের কর্মীদের মধ্যে হইচই শুরু হয়। নয়তলা ভবনের বিভিন্ন কক্ষে থাকা পর্যটকেরাও দ্রুত হোটেল থেকে বেরিয়ে পাশের সৈকতে চলে যান।
খবর পেয়ে বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও হোটেল কর্তৃপক্ষের সম্মিলিত চেষ্টায় প্রায় আধা ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে পার্কিং এলাকার জেনারেটরসহ বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
.‘আমার তিন বোনের পাঁচ–ছেলে মেয়ে মারা গেছে, ওরা ৯ জন বেড়াতে এসেছিল’.
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, আগুনের খবর পেয়ে দ্রুত নিকটবর্তী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে একটি ইউনিট পাঠানো হয়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জেনারেটরের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
.কক্সবাজারের সেই পোড়া রিসোর্টে গিয়ে যা দেখা গেল.
দ্য সি-প্রিন্সেস হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কাদের বলেন, হোটেলে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা ছিল। কর্মীদের তৎপরতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। হোটেলে অবস্থানরত পর্যটকেরা সবাই নিরাপদে আছেন।
.হিমঘরে ১০ মরদেহ, স্বজনদের অপেক্ষা