বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১নং চরামদ্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম মোহন মাস্টারের বিরূদ্ধে এক জামায়াত সমর্থককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলে হাত-পা ভাঙ্গার হুমকি দিয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে বলে জানান ভুক্তভোগী সাবেক সেনা সদস্য আসলাম হাওলাদার। ২৯ জানুয়ারী বৃহস্পাতিবার সকাল ১০টার দিকে চরামদ্দি স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরিশাল-৬ আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পৌছেছে দাঁড়িপাল্লা ও ধানের শীষ। চরামদ্দিতে বিএনপি ও জামায়াত নেততাকর্মীরা সার্বক্ষণিক প্রচার প্রাচরণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারই অংশ হিসেবে জামায়াত সমর্থক সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট আসলাম হাওলাদার দাঁড়িপাল্লার ক্যাম্পিং করে বেড়ান।
ভুক্তভোগী আসলাম হাওলাদার বলেন, মোহন মাস্টার প্রথমে আমাকে দাঁড়িপাল্লার ক্যাম্পিং করতে নিষেধ করেন। এরপরও আমি যদি ক্যাম্পিং করি তাহলে আমার হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়ার হুমকি দেন। তাছাড়া তিনি বাপ-মা তুলে আমাকে গালিগালাজ করেনে। আমি বিষয়টি ইউনয়ন জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি। আমরা এখন আতঙ্কের মধ্যে আছি। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি।
চরামদ্দি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা নেছার উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের কর্মী আসলাম হাওলাদার ফোন দিয়ে এই হুমকি দেওয়ার ঘটনা আমাকে জানিয়েছে। দ্রুত আমি সংগঠনের মিটিং ডেকেছি। সংগঠনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।
এ বিষয়ে চরামদ্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম মোহন মাস্টার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আসলামকে বকঝকা করেছি সত্য। তবে সে আমার বিরূদ্ধে বিভিন্ন কুৎসা রটায় সেই জন্য। রাজনৈতিক ইস্যুতে তাকে কিছু বলিনি।