
আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ৩২ ওভারে ১০৬/২
সাবলীলভাবে খেলে যাচ্ছেন রহমত ও মালিক। দুজনে গড়েছেন অবিচ্ছিন্ন ৪২ রানের জুটি। ফিফটির পথে আছেন মালিক। ৪৮ রানে অপরাজিত আছেন এই ওপেনার। রহমত অপরাজিত ২০ রানে।
বাংলাদেশের স্পিনাররা এখনো কোনো টার্ন পাচ্ছেন না। দ্বিতীয় দিনের উইকেটেও ব্যাটসম্যানেরা সহায়তা পাচ্ছেন।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট শেষে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। প্রথমবার ওয়ানডে দলে সুযোগ পেয়েছেন আলিস আল ইসলাম।
আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ২৬ ওভারে ৮০/২
রহমত শাহকে সঙ্গে নিয়ে আব্দুল মালিক জুটি গড়ার চেষ্টা করছেন। ৩৩ রানে ব্যাটিং করছেন মালিক, ৯ রানে অধিনায়ক রহমত শাহ।
বোলিং করছেন তাইজুল, ৩ ওভারে দিয়েছেন ৬ রান। নতুন বোলার নাঈম হাসান।
আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ২১ ওভারে ৬৮/২
বাউন্সারেই বাজিমাত। ২০ রানে ফিরলেন শহিদুল্লাহ। ইবাদতের শর্ট বলে পুল খেলেন এই ব্যাটসম্যান। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় ডিপ ফাইন লেগের দিকে। দৌড়ে এসে সামনে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন হাসান মাহমুদ।
এরপর ইবাদতের চিরচেনা স্যালুট উদ্যাপন!
আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ১৭ ওভারে ৫৪/১
১ উইকেট হারিয়েই ৫০ রান পার করেছে আফগানিস্তান। হাসানের সঙ্গে অন্য প্রান্তে বোলিং করছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। একাদশে দুই পেসার, মিরাজকে আসতে হয়েছে তাই আগেভাগেই। তিনি এখন পর্যন্ত ৪ ওভারে ৯ রান দিয়েছেন।
আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ১৩ ওভারে ৩৪/১
আরও ২–১ টা উইকেট পেলে সেশনটা পুরোপুরি বাংলাদেশের হতো। সুযোগও ছিল। কারণ বল হাতে বাংলাদেশের শুরুটা দারুণই হয়েছিল। বিশেষ করে হাসান ছিলেন দুর্দান্ত। এখন পর্যন্ত ৭ ওভার বোলিং করে ১১ রান দিয়েছেন হাসান, আউট করেছেন আতালকে।
সব মিলিয়ে এই সেশনে ২১.২ ওভারে ৬৩ রান উঠেছে, পড়েছে ৩ উইকেট।
আফগানিস্তান ১ম ইনিংস: ১০.৩ ওভারে ৩০/১
হাসানের বলেই আউট হলেন আতাল। ফিরলেন ১৭ রান করে। স্লিপে হাসানের বলে ক্যাচ নিয়েছেন তানজিদ হাসান।
এর আগেও একবার উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছিলেন আতাল। আম্পায়ারের আউট না দেওয়া আর নাজমুল রিভিউ না নেওয়াতে সেবার বেঁচে যান। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি এই ওপেনার।
হাসান মাহমুদের বলে সেদিকউল্লাহ আতালের ব্যাট ছুঁয়ে বল চলে যায় লিটন দাসের হাতে। আউটের জোরালো আবেদন করেন বোলার ও ফিল্ডাররা। তবে আম্পায়ার সাড়া দেননি।
বাংলাদেশও রিভিউ নেয়নি। পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, বল ব্যাটের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আলট্রাএজে স্পষ্ট স্পাইক ছিল। অর্থাৎ, ব্যাটের কানায় লেগেছিল বল। একই সময়ে ব্যাট প্যাডে লাগায় বিভ্রান্ত হয়ে যায় বাংলাদেশ। ফলে উইকেট পাওয়ার দারুণ সুযোগ হাতছাড়া হয় তাদের।
হাসানের করা আগের ওভারে রিভিউ নিয়েছিল বাংলাদেশ। সেটিতে বল ব্যাটের কাছ থেকেও যায়নি।
৮ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। এর সঙ্গে আজ যোগ করতে পেরেছে আরও ২৯ রান। সেটা এসেছে স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার নাঈম হাসানের সৌজন্যে। ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন নাঈম।
এই মাঠে প্রথম ইনিংসে গড় দলীয় সংগ্রহ ৩৬০। বাংলাদেশের সংগ্রহটা এর চেয়েও বড় হতে পারত। এক সময় বাংলাদেশের রান ছিল ২ উইকেটে ২২১ রান। শেষ ১২৫ রান তুলতে ৮ উইকেট হারিয়েছে নাজমুল হোসেনের দল।
আফগানিস্তানের হয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন সেলিম।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৯০ ওভারে ৩৩৫/৯
সেই সেলিমই উইকেট পেলেন। প্রথম দিনে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ভোগানো এই পেসার আজ পেয়েছেন তাইজুলের উইকেট। ৯ রান করেছেন তাইজুল। এই উইকেটটিও তিনি পেয়েছেন শর্ট ডেলিভারিতে। এর আগে সাদমান ও লিটনকেও শর্ট ডেলিভারিতে আউট করেছেন।
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৮৬ ওভারে ৩২৪/৮।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু হয়েছে আবুধাবিতে।
তাইজুল ৫ ও নাঈম ১৭ রানে অপরাজিত।
প্রথম দিনের খেলা শেষ হয়ে গেল। বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ৩১৬ রান করেছে। দিনশেষে আফগানিস্তানেরই খুশি হওয়ার কথা। প্রথম তিন ঘণ্টা পরও তারা হয়তো এমন সমাপ্তির কথা চিন্তাও করেনি। উদ্বোধনী জুটিতে ১২৪ রান করেছিল বাংলাদেশ, ফিফটি পেয়েছিলেন দুই ওপেনারই।
কিন্তু হুট করে ৪ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। সেখান থেকে মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন দাসের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখেছিল। সেটিও হয়নি, ইনিংসটা লম্বা করতে পারেননি কেউই। মিরাজ ২৪ আর লিটন ফিরেছেন ৫৩ রানে। আগামীকাল বাংলাদেশের হয়ে দিন শুরু করবেন নাঈম হাসান (১১) ও তাইজুল ইসলাম (৪)।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৮৪ ওভারে ৩১৭/৮ (সাদমান ৬৭, তানজিদ ৮৩, মুমিনুল ৩৯, নাজমুল ২৯, মুশফিক ০, লিটন ৫৩, মিরাজ ২৪, নাঈম ১১*, হাসান ২, তাইজুল ৪*; সেলিম ৩/৭০, ইসমত ২/২০, ইয়ামিন ২/৬২)। (১ম দিন শেষে)
এক রান করেই ব্যাটটা উঁচিয়ে ধরেছিলেন লিটন দাস। তা যে রসিকতা করে করা— আগের তিন ইনিংসে তাঁর ডাক মারার কথা মনে থাকলে বুঝতে পারবেন যেকেউই। লিটন আরও একবার ব্যাট উঁচিয়ে ধরলেন এই ইনিংসে, তবে এবার ফিফটি করে।
আহমেদজাইয়ের বলে চার মেরে ফিফটি করেন লিটন। কিন্তু এরপর আর দুই বলও টিকলেন না! সেলিম শাফির বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে তিনি আউট হয়ে গেছেন। বাংলাদেশ সপ্তম উইকেট হারিয়েছে। তারা তিন শ পার করলেও কতদূর যাবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৭৯.১ ওভারে ৩০৩/৭
হঠাৎ ধসের পর মিরাজ ও লিটনের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। তাও লম্বা হলো না খুব একটা। ইশমত আলমের বলে বোল্ড হয়ে গেছেন মিরাজ। তাঁর অফ স্টাম্পের বাইরের বল মিরাজের ব্যাট হয়ে গেছে স্টাম্পে। এখন বাংলাদেশ তাকিয়ে শুধু লিটনের দিকে, ৪০ রানে অপরাজিত তিনি। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে উইকেটে এসেছেন নাঈম হাসান।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৭২.২ ওভারে ২৮৭/৬
এটিই বাংলাদেশের শেষ স্বীকৃত জুটি। তাদের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে বিপদে পড়ে যাবে বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত কাজটা ঠিকঠাক করছেন মিরাজ ও লিটন। দুজনের জুটিতে এসেছে ৪২ রান।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংসে : ৬৪ ওভারে ২৬৭/৫
প্রথম দিনের দ্বিতীয় সেশন হলো। ৯৪ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়েছে এই সেশনে। এখন উইকেটে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন দাস। মেহেদীর রান এখনও শূন্য, লিটন অপরাজিত আছেন ৩ রানে।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৫১ ওভারে ২২৫/৫
মুমিনুল, মুশফিকের পর অধিনায়ক নাজমুলও ফিরলেন। আউট হয়েছেন ২৯ রান করে। তাঁকে ফিরিয়েছেন স্পিনার কায়েস আহমেদ।
২ উইকেটে ২২১ রান করা বাংলাদেশ ২২৫ রান তুলতেই হারিয়েছে ৫ উইকেট। মানে ৪ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে দলটি। এই সেশনে দারুনভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে আফগান বোলাররা। তাদের পেসারদের গতি বেড়েছে, স্পিনারও ভালো জায়গায় বোলিং করছেন।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৫০ ওভারে ২২৪/৪
শূন্য রানে ফিরলেন মুশফিক। ইয়ামিন আহমদজাইর বলে বোল্ড হয়ে ফিরেছেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। তাঁর করা মিডল স্টাম্প বরবার ইনসুইং ইয়র্কারে বোল্ড হয়েছেন মুশফিক।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৪৭.৪ ওভারে ২২১/৩
তানজিদ–সাদমান ফিফটি পেয়েছেন। মুমিনুল সেটাও করতে পারেননি। ৩৯ রানে ইয়ামিন আহমদজাইর বলে আউট হয়েছেন।
আহমদজাইর লেংথ বলটা কিছুটা ভেতরের দিকে ঢুকছিল। পিচে পড়ে একটু ধীরগতিরও হয়েছে। মুমিনুল সামনের পায়ে ভর দিয়ে বলটি খেলতে চেয়েছিলেন । কিন্তু ব্যাটে-বলে ঠিকমতো করতে পারেননি। ক্যাচ দিয়েছেন কাভারে, রহমত শাহর কাছে।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৪২ ওভারে ২০২/২
দুই ওপেনার ফেরার পরও বাংলাদেশের রানের গতি থেমে নেই। মুমিনুল হকের সঙ্গে এখন উইকেটে আছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন। দুজনেই খেলছেন সাবলীলভাবে। মুমিনুল ৩৫ আর নাজমুল ১২ রানে অপরাজিত।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩৮ ওভারে ১৮৪/২
সেঞ্চুরি মিস করলেন সাদমানও। তাঁর সামনেও ছিল বড় ইনিংস খেলার সুযোগ। কিন্তু ৬৭ রান করে ফিরেছেন এই ওপেনার।
সেলিমের বুকসমান উচ্চতায় শর্ট বলে পুল খেলেছিলেন সাদমান। মাটিতে রাখতে চাইলেও পারেননি। বল চলে যায় স্কয়ার লেগে থাকা ফিল্ডার জিয়া-উর-রহমানের কাছে। দারুণ ক্যাচ নিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩৩ ওভারে ১৬৪/১
৫ রানে জীবন পেয়েছিলেন। শহীদির ক্যাচ মিসে বেঁচে যান। সেই সাদমান পেয়েছেন ফিফটি। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর নবম ফিফটি। এর আগে তানজিদও ফিফটি করেন। তিনি আউট হয়েছেন ৮৩ রানে। সাদমান নিশ্চয়ই একই ভুল করতে চাইবেন না!
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৬ ওভারে ১৩৪/১ (প্রথম সেশন শেষে)
তানজিদের ব্যাটে প্রথম দিনের প্রথম সেশনটা বাংলাদেশের। ৭১ বলে ৮৩ রানের ইনিংস খেলেছেন তানজিদ। সাদমানও তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন, অপরাজিত ৪১ রানে। তাঁর সঙ্গে উইকেটে আছেন মুমিনুল, এই বাঁহাতির ব্যাট থেকে এসেছে ৫ রান।
আফগানিস্তানের হয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন ইসমত আলম।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৬ ওভারে ১৩৪/১ (তানজিদ ৮৩, সাদমান ৪১*, মুমিনুল ৫*; ইসমত ১/১৭, সালিম ০/৩১, হাশমতউল্লাহ ০/২৪, ইয়ামিন ০/৩৭)। প্রথম সেশন শেষে।
কৌশল পরিবর্তনের সুফল পেয়েছে আফগানিস্তান। উইকেট থেকে বেরিয়ে এসে খেলতে অভ্যস্ত তানজিদের জন্য উইকেটকিপারকে তারা এগিয়ে আনেন স্টাম্পের কাছে। সেটাই হয়তো তানজিদের মনযোগে কিছুটা বিঘ্ন ঘটিয়েছে। এরপর ষষ্ঠ স্টাম্পের লাইনে করা শর্ট বলে ব্যাট ছোঁয়ান তানজিদ। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটকিপারের গ্লাভসে।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৩ ওভারে ১২৪/১
না, সেঞ্চুরিটা হলো না। তানজিদ ফিরলেন ৮৩ রান করে। ইসমত আলমের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন তানজিদ। দারণ ক্যাচ নিয়েছেন আফগান উইকেটকিপার ইকরাম। উইকেটে এসেছেন মুমিনুল হক।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৮ ওভারে ১০৩/০
ওপেনিং জুটিতে শতরান তুলল বাংলাদেশ। তানজিদের ব্যাট থেকে এসেছে ফিফটি। ৫৪ বলে ৬৬ রানে অপরাজিত আছেন তানজিদ। সাদমান তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন, ৩২ রানে অপরাজিত তিনি।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৪ ওভারে ৭৪/০
আফগানিস্তানের বোলারদের বিপক্ষে তানজিদ ইনিংসের শুরু থেকেই ছিলেন সাবলীল। তিনি ফিফটি পেয়েছেন ৪১ বলে। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর দ্বিতীয় পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইন টেস্টে সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন এই ওপেনার। অন্য প্রান্তে সাদমান খেলছেন প্রথাগত টেস্ট মেজাজে। ৪৪ বলে ১৯ রানে অপরাজিত আছেন সাদমান।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১০.২ ওভারে ৫৬/০
তানজিদ–সাদমানের ব্যাটে দারুণ শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। দুজনে মিলে এরইমধ্যে তুলেছেন ৫৬ রান। তানজিদ খেলছেন আক্রমণাত্মক কৌশলে, ৩৩ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত তিনি। সাদমান ৩০ বলে ১৩ রানে অপরাজিত।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৭ ওভারে ৩২/০
৫ রানে জীবন পেলেন সাদমান। সপ্তম ওভারে ইয়ামিন আহমদজাইয়ের বলে কাভারে হাশমতউল্লাহ শহীদির হাতে ক্যাচ দিয়েছিলেন সাদমান। মিস করেছেন শহীদি। অন্য প্রান্তে ওয়ানডে মেজাজে ২৪ বলে ২১ রান করেছেন তানজিদ।
এখনো তেমন কিছুই ঘটেনি। তানজিদ হাসান ও সাদমান সাবলীলভাবেই শুরুটা করেছেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের চোখ বড় সংগ্রহের দিকেই থাকবে।
এই মাঠে প্রথম ইনিংসে দলীয় গড় স্কোর ৩৬০।
বাংলাদেশ একাদশ: সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম ও ইবাদত হোসেন।
আফগানিস্তান একাদশ: আবদুল মালিক, সেদিকউল্লাহ আতাল, রহমত শাহ (অধিনায়ক), হাশমতউল্লাহ শহীদি, ইকরাম আলিখিল (উইকেটকিপার), জিয়া-উর-রহমান , শহিদুল্লাহ কামাল, ইয়ামিন আহমদজাই, কাইস আহমেদ, মোহাম্মদ সেলিম সাফি ও ইসমত আলম।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন।
আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশের মুখোমুখি আফগানিস্তান। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে এটাই প্রথম টেস্ট বাংলাদেশ দলের।
তিন বছরে ৮ টেস্ট খেলতে না পারলে আইসিসির টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে নাম ওঠে না। বাংলাদেশের সঙ্গে ম্যাচটা আফগানিস্তানের এই সময়ের মধ্যে ষষ্ঠ টেস্ট। র্যাঙ্কিংয়ে নাম তুলতে তাদের আরও দুটি টেস্ট খেলতে হবে। এতটুকু পড়ে নিশ্চয়ই আফগানিস্তানকে সহজ প্রতিপক্ষ মনে হচ্ছে। তাহলে কিন্তু একটু ভুলই করবেন।
কেন ভুল হবে সেটা জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে।
র্যাঙ্কিংয়ে না থাকা আফগানিস্তানও কেন বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশ–আফগানিস্তান টেস্টে এতদিন ছড়ি ঘুরিয়েছেন কারা? মানে কাদের পারফরম্যান্স সবচেয়ে ভালো—তা জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে।
বাংলাদেশ–আফগানিস্তান টেস্টে সেরা পারফর্মার কারা