
এক সপ্তাহের ব্যবধানে আরও একটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে যাচ্ছে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে। এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘মুরাসু’। গত ২৭ অক্টোবর অন্ধ্রের উপকূলে আঘাত হেনেছিল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। নামটি ছিল বাংলাদেশের দেওয়া। আর ‘মুরাসু’ নামটি দিয়েছে ভারতই। এটি আজ সোমবার সন্ধ্যার দিকে আঘাত হানতে পারে বলে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে।
‘মুরাসু’একটি তামিল শব্দ। এর অর্থ হলো বিশাল আকারের ড্রাম বা রণঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র। কোনো দুর্যোগ সম্পর্কে বা কিছু ঘোষণা করতে, সবাইকে সচেতন করতে এই বাদ্যযন্ত্র বাজানো হয়। অনেক সময় এটিকে যুদ্ধের বাদ্য হিসেবেও ধরে নেওয়া হয়। এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের আকার নিতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
.
আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, গতবার অর্ণব যেখানে আঘাত হেনেছিল, সেখান থেকে বেশ অনেকটা দূরে আরও উত্তরে প্রবল ঘূর্ণিঝড় মুরাসু ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে আজই।
আগের ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূল এবং দেশের নানা স্থানে বৃষ্টি হয়েছিল। এর পরিমাণ বেশি না হলেও তাতে কয়েক দিনের তাপপ্রবাহ কমে গিয়েছিল। তাহলে এবারের ঘূর্ণিঝড়ে বাংলাদেশের ওপর প্রভাব কী?
ওমর ফারুক বলেন, অর্ণবের যেমন প্রভাব ছিল, তার চেয়ে মুরাসুর প্রভাব অনেকটাই কম হতে পারে। এতে বৃষ্টির সম্ভাবনা তেমন নেই। তবে আজ থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। তবে তাতে বৃষ্টি হবে, এমন সম্ভাবনা কম। আগামীকাল মঙ্গলবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা তেমন নেই। আসলে বাংলাদেশের উপকূল থেকে মুরাসুর এবারের সম্ভাব্য লক্ষ্যস্থল অনেকটাই দূরে।
.
এদিকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গরম কমছে না। গত মাসে কয়েক দফায় তাপপ্রবাহ বয়ে গিয়েছিল। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায়, ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীতে গতকাল তাপমাত্রা ছিল ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।