● ●


যুদ্ধবাজ নেতানিয়াহু এবারও কি টিকে থাকতে পারবেন, কী অপকৌশল নিতে পারেন তিনি
প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ |
অনলাইন সংস্করণ

যুদ্ধবাজ নেতানিয়াহু এবারও কি টিকে থাকতে পারবেন, কী অপকৌশল নিতে পারেন তিনি

ইসরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে তিন দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বহুবার বাতিলের খাতায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিবারই তিনি প্রমাণ করেছেন, তাঁর রাজনৈতিক এপিটাফ বড্ড আগেই লিখে ফেলা হয়েছিল।

গত রোববার অনুষ্ঠিত ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল দেখে মনে হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর বিরোধীরা হয়তো তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক শাসনের ইতি টানার একটা সুযোগ পাচ্ছেন। তবে দেশটির নির্মম রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

এ পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ হয়েছে। তবে ইসরায়েলের শীর্ষ পদের জন্য কোনো স্পষ্ট বিজয়ী পাওয়া যায়নি। এর ফলে কয়েক সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাসের জন্য একটি ক্ষেত্র প্রস্তুত হচ্ছে, যেখানে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক টিকে থাকা ঝুলন্ত অবস্থায় থাকছে।

.

ভোট গণনা শেষ হওয়ার কাছাকাছি হলেও ১২০ আসনের পার্লামেন্টে যুদ্ধবাজ নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ২৬টি আসন পেয়ে এখনো একক বৃহত্তম দল হিসেবে রয়েছে। তবে তাঁর ডানপন্থী জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনের বিপরীতে তারা ৫৩টি আসন জিততে চলেছে।

উগ্র ইহুদিবাদী এবার নেতানিয়াহু জেতেননি। তবে তিনি হেরেও যাননি, অন্তত এখন পর্যন্ত নয়। এখন তাঁকে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরকার গঠন করা থেকে আটকাতে হবে, আর তাহলেই তিনি আবারও টিকে যেতে পারেন।

আরব দলগুলোসহ কাগজে-কলমে নেতানিয়াহুর বিরোধী শিবিরের কাছে প্রায় ৬৭টি আসন রয়েছে। তবে সেই হিসাব মতাদর্শিক, জাতীয় ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বে খণ্ডিত। নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের দল ২১টি আসন জিতেছে। তবে তাঁর শিবিরের অন্য ইহুদি দলগুলোর আসন মিলিয়ে মোট আসন ৪৮টি। যা বিজয়ের জন্য প্রয়োজনীয় আসনের চেয়ে বেশ কম।

৬১ আসনের কোটায় পৌঁছাতে তাঁদের দুটি আরব দল রাআম এবং জয়েন্ট লিস্ট-এর সমর্থন লাগবে। এসব আরব দল যৌথভাবে রেকর্ড ১৯টি আসন পেতে যাচ্ছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

.

বিশ্লেষকেরা বলছেন, আরব বা ইসরায়েলি ফিলিস্তিনি নাগরিকদের রেকর্ডসংখ্যক উপস্থিতির পেছনে ছিল মূলত চার বছর ধরে দায়িত্বে থাকা উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন–গভিরের ওপর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। তাঁর মেয়াদে উগ্রপন্থী ইহুদিরা আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তিনিও হামেশা আরব ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।

ঠিক এই জায়গাতেই অঙ্কের হিসাব জটিল হয়ে উঠেছে। রাআম হলো ইসলামপন্থী দল, যারা মূলত ইসরায়েলের বেদুইন সম্প্রদায়ের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ২০২১ সালের নির্বাচনের পর এই দলের নেতা মানসুর আব্বাস প্রথম আরব রাজনীতিবিদ হিসেবে ইসরায়েলি সরকারে যোগ দিয়েছিলেন।

.

জয়েন্ট লিস্ট বড় আরব দল হতে যাচ্ছে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। এটি মূলত কয়েকটি ছোট রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত। কমিউনিস্ট হাদাশ, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী তাল ও জাতীয়তাবাদী বালাদ গোষ্ঠী এই জোটে রয়েছে।

গতকাল বুধবার বামপন্থী ডেমোক্র্যাটস পার্টির নেতা ইয়ার গোলান তাঁর সহযোগীদের আরব দলগুলোকে তাঁদের জোটে টানার আহ্বান জানান। তিনি নেতানিয়াহুর ‘ইহুদি ও আরব ভোটের মধ্যে বর্ণবাদী বিভাজন’-এর নীতি প্রত্যাখ্যান করেন।

তবে আইজেনকটের দুই ডানপন্থী মিত্র নাফতালি বেনেট এবং অবিগদোর লিবারম্যান আরব দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল যেকোনো সরকারের বিরোধিতা করেছেন।

জয়েন্ট লিস্ট বুধবার জানিয়েছে, তারা রাজনৈতিক সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত। নেতানিয়াহুর শাসনের অবসান ঘটাতে তাঁরা সবকিছু করতে ইচ্ছুক।

.

নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচন–পরবর্তী তাঁর প্রধান লক্ষ্য হলো ইহুদি-আরব রাজনৈতিক সহযোগিতাকে অবৈধ ঘোষণা করা ও এর মাধ্যমে বিরোধীদের প্রতিহত করা। কারণ, বিরোধীরা আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে তাঁকে ক্ষমতার বাইরে চলে যেতে হবে।

সূত্রটি জানায়, নেতানিয়াহু সংখ্যালঘু একটি সরকার নিয়ে অত্যন্ত চিন্তিত। নেতানিয়াহু এমনকি একক বিরোধী আইনপ্রণেতাদের আরব দলগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা না করতে চাপ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। নির্বাচনজুড়ে তিনি আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে প্রচার চালানোর পর লিকুদ পার্টি বুধবার এক বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ঘুষ, হুমকি, সহিংসতা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ‘নির্বাচন ছিনতাই’ করার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

২০২০ সালের যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হেরে নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেভাবে জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিলেন, সেই একই কৌশল নিয়েছে নেতানিয়াহুর দল।

.

সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিটি বুধবার জানিয়েছে, তারা লিকুদ পার্টির অভিযোগ পরীক্ষা করে দেখছে। তবে কমিটি নির্বাচনের দিনই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হাজার হাজার অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছিল।

সূত্রটি সিএনএনকে জানিয়েছে, নেতানিয়াহু ‘ইরানে হামলা চালানো বা তাঁর পক্ষ হয়ে ইসরায়েলি রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিযুক্ত করাসহ যেকোনো উপায়ে এই সম্ভাবনাকে নিষ্ক্রিয় করার’ পরিকল্পনা করছেন।

বিরোধীদের আশঙ্কা, নেতানিয়াহু নতুন সরকার গঠন স্থগিত বা ব্যর্থ করার জন্য যেকোনো ধরনের নিরাপত্তা–সংকটকে ব্যবহার করতে পারেন। নির্বাচনের আগে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা চালাতে চাপ দিয়েছিলেন। কিন্তু ওয়াশিংটন তাঁর অনুরোধে সাড়া দেয়নি। কারণ, আংশিকভাবে ইসরায়েলের সামরিক চিফ অব স্টাফ ইয়াল জামির সতর্ক করেছিলেন, এটি নির্বাচনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, ইরানে হামলার পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে এবং ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সম্ভবত মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর এই হামলা চালানো হতে পারে।

.

একটি বিরোধী সূত্র সিএনএনকে বলেছে, ‘নেতানিয়াহু কী করবেন, তা জানার কোনো উপায় নেই। আমাদের মনে হচ্ছে, তিনি নতুন করে আরেকটি উত্তেজনা তৈরি করার চেষ্টা করতে পারেন।’

আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, নেতানিয়াহু অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিশৃঙ্খলা তৈরি করাসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় না ছাড়তে যা যা করা সম্ভব, তার সবই করবেন।

ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেসের (আইডিএফ) সাবেক প্রধান আইজেনকট মঙ্গলবার রাতে ইসরায়েলের নিরাপত্তাপ্রধানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মনে করিয়ে দেন, ‘জনগণের রায় ও ম্যান্ডেট ছাড়া নেতানিয়াহু কেবল একজন অন্তর্বর্তী (কেয়ারটেকার) প্রধানমন্ত্রী।’ বুথফেরত জরিপের ফল প্রকাশের পরপরই সমর্থকদের উদ্দেশে আইজেনকট ঘোষণা করেন, জনগণ ‘পরিবর্তনকে বেছে নিয়েছে’।

মঙ্গলবার রাতের ভাষণের পর হালনাগাদ ফলাফল জানার পর আইজেনকট প্রথম প্রতিক্রিয়ায় বলেন, তিনি ‘ইসরায়েলে পরিবর্তন আনার’ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আছেন।

.

সংখ্যার হিসাব এখনো পরিবর্তিত হতে পারে। বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিটি বেশির ভাগ ব্যালট গণনা শেষ করেছে। এ পর্যন্ত ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ। এখন সেনাসদস্য, বন্দী, হাসপাতালের রোগী ও কর্মী, বিদেশের কূটনীতিক এবং প্রতিবন্ধী ভোটারদের ডাবল-এনভেলপ ব্যালট গণনার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে কমিটি।

কমিটির অনুমান, ৪ লাখ ৩০ হাজার থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার ডাবল এনভেলপ রয়েছে, যা ১০টির বেশি আসনের ভোটের কাছাকাছি। এগুলো একটি বিশেষ যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় আলাদাভাবে গণনা করা হয় এবং চূড়ান্ত ফলাফল আজ বৃহস্পতিবার পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এরপর মূল রাজনৈতিক চালবাজি শুরু হবে। পরবর্তী পদক্ষেপটি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের ওপর নির্ভর করছে। নির্বাচন–পরবর্তী তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে তাঁর কাজ হলো, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন যিনি অর্জন করতে পারবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন, তিনি সরকার গঠনে তাঁদের পরামর্শ দেবেন। তাঁকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করার আগে নির্বাচিত সব দলের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। এই প্রার্থী বাধ্যতামূলকভাবে একক বৃহত্তম দলের নেতা হবেন তা নয়, বরং যাঁর জোট গঠনের বাস্তবসম্মত পথ রয়েছে, তিনিই মনোনীত হবেন।

.

মিশ্র নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করছেন বিশেষজ্ঞরা। মনোনীত প্রার্থীর কাছে সরকার গঠনের জন্য অন্যান্য দলের সঙ্গে মন্ত্রিসভার পদ, বাজেট ও নীতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য ২৮ দিন সময় থাকে। প্রয়োজনে এ সময় আরও ১৪ দিন বাড়ানো যায়। তিনি ব্যর্থ হলে, অন্য একজন প্রার্থীর কাছে পরবর্তী চার সপ্তাহের জন্য সেই দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। তিনিও যদি ব্যর্থ হন, তবে নেসেট একটি বিকল্প প্রার্থী দিতে অল্প সময় পায়।

নেসেটও যদি ব্যর্থ হয়, তবে দেশটিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেতানিয়াহুর কাছে একটি সহজাত সুবিধা রয়েছে। আইজেনকট যদি প্রথমে সরকার গঠনের সুযোগ পেয়ে ব্যর্থ হন, তবে নেতানিয়াহুকে শুধু নিজের সময়ের অপেক্ষায় থাকতে হবে। আর ইসরায়েল যদি নতুন নির্বাচনের পথে যায়, তাহলে নেতানিয়াহু মাসের পর মাস অন্তর্বর্তী প্রধান হিসেবে ক্ষমতায় বহাল থাকবেন।

এমনকি সরকার গঠন না করেও বিরোধীরা নেসেটে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে কাজে লাগিয়ে স্পিকার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন কাউকে নিয়োগ দিতে পারবে। এতে নেতানিয়াহুর শাসন করার ক্ষমতা সীমিত হতে পারে এবং এমনকি বিরোধীদের আইন প্রণয়নের সুযোগ করে দিতে পারে।

.

তবে সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আইজেনকট তাঁর পছন্দের যুদ্ধক্ষেত্রে নেই। নেতানিয়াহুর জোট অত্যন্ত অনুগত ও দলত্যাগের বিষয়ে তাঁকে প্রকৃতপক্ষে খুব বেশি ভাবতে হয় না। তবে আইজেনকটের ক্ষেত্রে বিষয়টি তেমন নয়। তাঁর বৈচিত্র্যময় জোটের মতাদর্শিক মিল বেশ কম, আর সামান্যতম ভুল পদক্ষেপও জোটটিকে ভেঙে চুরমার করে দেশকে আবার নির্বাচনের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

আপাতত সব নজর হারজগের দিকে। বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে যাঁর ভূমিকা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কোনো পক্ষই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তিনি হয়তো নেতানিয়াহু ও আইজেনকটকে একটি জাতীয় ঐক্য সরকার গঠনে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

গত বুধবার হারজগ বলেন, ‘নির্বাচনের আরেকটি ধাপ এড়াতে আমাদের সম্ভাব্য সবকিছু করতে হবে।’ তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের ‘উন্মুক্ত মন নিয়ে’ আলোচনায় আসার আহ্বান জানান।




এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি।

© বিডি ২৪ নিউজ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

  বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা,আটকের দাবি : এ্যাংকর সিমেন্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অর্থপাচার, বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ : তদন্তে দুদক ও ভ্যাট গোয়েন্দা   বরিশাল স্বাস্থ্যখাতে শত কোটি টাকার দুর্নীতি: পিপলাই পরিবারের টেন্ডার সিন্ডিকেট উন্মোচন   ইফতারে বৈষম্যের অভিযোগ: ভিআইপি ও সাধারণ কর্মচারীদের আলাদা মেন্যু, সমালোচনায় বরিশাল সিটি করপোরেশন   বরিশালের হলিমা খাতুন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা   পটুয়াখালী মেডিকেলে ৭৬ কোটি টাকার টেন্ডার বাতিল হলেও জড়িতরা বহাল তবিয়তে   রাজাপুর এলজিইডির প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদারের বিরুদ্ধে বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ   বরিশালে বদলি ঠেকাতে ৩ শিক্ষকের গ্রেফতার নাটক   বরিশালের সেই বিতর্কিত এডলিন বিশ্বাষ পুলিশের হাতে আটক   না ফেরার দেশে বেগম খালেদা জিয়া   রাজশাহী গণপূর্তে টেন্ডারের আগেই ভাগ হচ্ছে কাজ : প্রশ্নের মুখে নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুল ইসলাম   বরিশালের রুপাতলী ‘খাবার বাড়ি’ রেস্তোরাঁকে ১ লাখ টাকা জরিমানা   বাকেরগঞ্জে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে গরু চুরির অভিযোগ   নলছিটিতে বৈদ্যুতিক ফাঁদে প্রাণ হারালেন কৃষক বাচ্চু মল্লিক   বদলি-নিয়োগ-দুর্নীতি, সিন্ডিকেটের দখলে প্রাথমিক শিক্ষাঅধিদপ্তর   উজিরপুরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে বলৎকারের অভিযোগ,জুতা পেটা   বদলি-বাণিজ্য, ঘুষ নিয়ন্ত্রণ করতেন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে, ছয় বছরের সাম্রাজ্য শাহজাহান আলীর   বরিশালে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের জায়গা দখল চেষ্টার অভিযোগ   বরিশালে বিসিক উদ্যোক্তা মেলায় স্টল বরাদ্দে অনিয়ম   বরিশাল কর অফিসের রতন মোল্লার হাতে আলাদিনের চেরাগ,একই কর্মস্থলে ১০ বছর   বরিশালের ১৬টি আসনে বিএনপির প্রার্থী যারা
Translate »