
‘ম্যাচ ডে২’-তে মোট ১৮ ম্যাচে ৭৮ গোল হয়েছে। চ্যাম্পিয়নস লিগে এক সপ্তাহের ম্যাচে (দুই দিনের সূচি মিলিয়ে) বা একটি ‘ম্যাচউইকে’ এটি সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। গত মৌসুমে ‘ম্যাচ ডে৩’-তে ১৮ ম্যাচে ৭১ গোলের রেকর্ড পেছনে পড়ল।
গতকাল রাতে পিএসজির কাছে ৪-২ গোলে হারের ম্যাচে জোড়া গোল করেন ম্যানচেস্টার সিটি তারকা আর্লিং হলান্ড। চ্যাম্পিয়নস লিগে এ নিয়ে ৬০ ম্যাচে ৬১ গোল হলো নরওয়ে তারকার। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ৬০ গোলের কোটা ছুঁয়ে ফেললেন হলান্ড। ২৬ বছর ৮৫ দিন বয়সে রেকর্ডটি গড়ার পথে হলান্ড পেছনে ফেলেন লিওনেল মেসিকে (২৬ বছর ৮৬ দিন)। ১ দিনের ব্যবধান!
চ্যাম্পিয়নস লিগে ৬০ গোলের দেখা পাওয়ায় দ্রুততম হলান্ড (৬০ ম্যাচে ৬১ গোল)। মেসির লেগেছে ৮০ ম্যাচ, লেভানডফস্কির ৮৫, এমবাপ্পের ৮৯ ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ৯৮ ম্যাচ।
অষ্টম খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের শততম ম্যাচে গোল পেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের ১০০ ম্যাচে শুধু দুজন খেলোয়াড়ই এমবাপ্পের চেয়ে বেশি গোল করেছেন। মেসি (৭৭) ও লেভানডফস্কি (৮১)।
ইউরোপিয়ান কাপ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ মিলিয়ে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে এই প্রতিযোগিতায় ১০০ ম্যাচ খেললেন এমবাপ্পে। ২৭ বছর ২৯৮ দিন বয়সে রেকর্ডটি গড়ার পথে রিয়াল তারকা পেছনে ফেলেছেন লিওনেল মেসিকে (২৮ বছর ৮৪ দিন)।
ইউরোপিয়ান কাপ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ মিলিয়ে ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে ৫০ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে জিতল রিয়াল মাদ্রিদ। হিসাবটি করা হয়েছে হারের মুখ থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে জেতা ম্যাচগুলো ধরে।
ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার ইতিহাসে রিয়ালই প্রথম দল যারা নির্দিষ্ট কোনো দেশে গিয়ে সেই দেশের ক্লাবগুলোর বিপক্ষে টানা ১০ ম্যাচ জিতল। ২০১৬ সালে ইতালিতে তাদের এই জয়যাত্রা শুরু হয় রোমাকে ২-০ গোলে হারিয়ে। গতকাল রাতে সেই রোমার বিপক্ষে ৪-৩ গোলে জিতেছে জোসে মরিনিওর দল।
২০২৬-২৭ চ্যাম্পিয়নস লিগে এ পর্যন্ত ৩৬ ম্যাচে ১৪৭ গোল হলো। ম্যাচপ্রতি হয়েছে ৪.০৮টি করে গোল। টুর্নামেন্টটির ইতিহাসে এখন পর্যন্ত এটাই ম্যাচপ্রতি সর্বোচ্চ গোলগড়।
পিএসজির কাছে ঘরের মাঠে ৪-২ গোলে হেরেছে ম্যানচেস্টার সিটি। চ্যাম্পিয়নস লিগে স্বাগতিক হয়ে এই প্রথম ৪ গোল হজম করল ইংলিশ ক্লাবটি। এর আগে আটবার তিন গোল করে হজম করেছে।
পিএসজির বিপক্ষে ৩২ মিনিটের মধ্যে ৩-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে সিটি। চ্যাম্পিয়নস লিগে ঘরের মাঠে এর আগে সিটি কখনোই কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধে এত গোল হজম করেনি।