
২৪২ রানের লক্ষ্য, ১৫৪ রানে ৯ উইকেট হারাল পাকিস্তান। সেখান থেকেই কিনা ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১ উইকেটে জয় পেয়ে গেল দলটি। লাহোরে শাদাব খানের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে ভর করে ত্রিদেশীয় সিরিজে অবিশ্বাস্য এক জয় পেল পাকিস্তান। পাকিস্তানের জার্সিতে প্রথম সেঞ্চুরি পাওয়া শাদাব অপরাজিত ছিলেন ১১৩ রানে।
অথচ ম্যাচ রিপোর্টের হেডিংও ঠিক করা হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ডের জয় ধরে। ‘৪২৯ রান করেও হারা ইংল্যান্ড এবার জিতল ২৪১ রান নিয়েই’—সম্ভাব্য হেডিংটা এমনই ছিল। কিন্তু হারিস রউফকে সঙ্গী করে সব ওলটপালট করে দিলেন শাদাব।
.
ভাগ্যের একটু ছোঁয়াও অবশ্য পেয়েছেন পাকিস্তান অলরাউন্ডার। জয় থেকে ২১ রান দূরে থাকতে এলবিডব্লু হয়ে গিয়েছিলেন শাদাব। নেওয়ার জন্য নেওয়া হিসেবেই রিভিউ নেন তিনি। এরপরই চমক, আলট্রা এজে ব্যাট-বলের সংযোগের সূক্ষ্ম একটি স্পাইক দেখা গেল। যা দেখে শাদাবও অবাক হলেন। আগের বলেই ছক্কা মারা শাদাব তখন দাঁড়িয়ে ৯৭ রানে।
.
শাদাবের রান যখন ৯৯, টম ব্যান্টন হারিস রউফকে রানআউট করার সুযোগ হারালেন। আর তাতে স্ট্রাইক ফিরে পেতেই চার মেরে সেঞ্চুরি পেয়ে গেলেন শাদাব। ওয়ানডে ইতিহাসে আটে বা এর নিচে নেমে যেটি মাত্র তৃতীয় সেঞ্চুরি। গাস অ্যাটকিনসনের করা পরের বলটায় চার মারা শাদাব ওভারের শেষ বলে মেরে দিলেন ছক্কা। তাতে পাকিস্তানের জয়ের সমীকরণ দাঁড়ায় ১৮ বলে ৩ রানের। হারিস রউফ দেরি করেননি, ইংলিশ পেসার হেনরি ক্রোকম্বকে চার মেরে দিলেন ওভারের প্রথম বলেই। আর তাতে টানা তৃতীয় জয়ে তিন জাতি সিরিজের ফাইনাল খেলাও নিশ্চিত করে ফেলল স্বাগতিকেরা। অন্যদিকে ইংল্যান্ড হারল তিন ম্যাচেই।
.আশরাফুলকে কেন সরাল বিসিবি, নতুন ব্যাটিং কোচ কে.
৮৯*
শাদাব–হারিসের জুটি ওয়ানডেতে সফল রান তাড়ায় দশম উইকেট সবচেয়ে বড় জুটি। আগের রেকর্ড ৬৪; ১৯৭৫ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ড্যারিক মারে ও অ্যান্ডি রবার্টসের।
.
৮৯ রানের দশম উইকেট জুটিতে হারিসের অবদান মহামূল্য ৭ রান। পাকিস্তানের ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংসটা সাদ বেইগের ৩২।
.
ইংল্যান্ডের ২৪১ রানের ইনিংসে সেঞ্চুরি পেয়েছেন বেন ডাকেট। ইংলিশ ওপেনার ১১১ বলে করেছেন ১০৫ রান। আগের ম্যাচে ওয়ানডে ইতিহাসের দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরি পাওয়া হ্যারি ব্রুক আজ ফিরেছেন ১ রানে। পাকিস্তানি পেসার শাহিন আফ্রিদি ৪৬ রানে নেন ৪ উইকেট।
.পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের গায়ে গোলাপি জার্সি কেন