● ●


এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে
প্রকাশ: ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ |
অনলাইন সংস্করণ

এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে

পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে। ইংরেজিতে বড় প্রভাব। এবার এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষা দিতে পারবেন।

.

২২ বছরের মধ্যে পাসের হার সবচেয়ে কম। ফলাফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫ এক বছরের ব্যবধানে কমেছে ২৭ হাজারের বেশি। কেউ পাস করেনি, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। আবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে। এই চিত্র দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের। সব মিলিয়ে ফলাফলে বড় ধরনের অবনতির চিত্র সামনে এসেছে।

এবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ছাড়া প্রায় সব বোর্ডেই ইংরেজি বিষয়ে পাসের হার কম। বাধ্যতামূলক এ বিষয়ে দুর্বল ফল সামগ্রিক পাসের হার কমার অন্যতম কারণ মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে তুলনামূলক খারাপ ফলও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। এ ছাড়া উত্তরপত্র মূল্যায়নে ‘কড়াকড়ি’, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঠিকমতো পড়াশোনা না হওয়া, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ঘাটতি ও কঠিন প্রশ্নপত্রের মতো বিষয়গুলোও আলোচনায় এসেছে।

গত বছরের মতো এবারও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। এবার নয়টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। গত বছর ছিল ৫৭ দশমিক ১২ শতাংশ। অর্থাৎ, এক বছরে পাসের হার কমেছে প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট। ২০২৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৭৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

শুধু পাসের হার নয়; কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও। এবার নয়টি বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬৩ হাজার ২১৯। এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৭ হাজার ২৭১।

.এইচএসসিতে পাসে শীর্ষে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা.

গতকাল শনিবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। একই দিনে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি ভোকেশনাল ও এইচএসসি ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার ফলও প্রকাশ করা হয়।

এইচএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। ৫ লাখ ৭ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। অবশ্য এবার এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীরা এক মাসের মধ্যে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়ে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

.

ফলাফলের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, পাসের হারে ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ, ছাত্রদের ৪৭ দশমিক ১৪ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে ছাত্ররা সামান্য এগিয়ে। জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ১৮ হাজার ১৫৫ জন এবং ছাত্রী ১৭ হাজার ৭৯৩ জন।

নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে শীর্ষে অবস্থান করছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। আর পাসের হারে পিছিয়ে আছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড—পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ, কুমিল্লা ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ, যশোর ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ, চট্টগ্রাম ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, সিলেট ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, দিনাজপুর ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এবার সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়েছিল। উত্তরপত্র মূল্যায়নে একটি মানদণ্ড ঠিক করে দেওয়া হয়েছিল।

.উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থীই উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী.

২০০৫ সাল থেকে এ বছর পর্যন্ত ২২ বছরের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে পাসের হারে সবচেয়ে বড় অবনতি হয় গত বছর। ২০২৪ সালে গড় পাসের হার ছিল ৭৫ শতাংশের বেশি। গত বছর তা কমে দাঁড়ায় ৫৭ শতাংশের ঘরে। এবার তা আরও কমে ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশে নেমেছে।

এর আগে ২০০৫ সালে পাসের হার ছিল ৫৯ শতাংশের বেশি। এরপর ২০০৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোনো বছরই পাসের হার ৬০ শতাংশের নিচে নামেনি। এ সময়ে পাসের হার কখনো বেড়েছে, কখনো কমেছে। তবে বেশির ভাগ বছরেই তা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশের ওপরে ছিল। করোনা শুরুর বছর, অর্থাৎ ২০২০ সালে পরীক্ষা ছাড়াই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ওই বছর সব পরীক্ষার্থী পাস করেছিলেন।

.

এবারের ফলাফলে ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা বিশেষভাবে চোখে পড়েছে। ঢাকা ছাড়া অন্য কোনো বোর্ডে ইংরেজি বিষয়ে পাসের হার ৭০ শতাংশ পৌঁছায়নি। ঢাকা বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৭৩ দশমিক ৬২ শতাংশ। অন্য বোর্ডগুলোতে এ হার ৫৪ থেকে প্রায় ৬৬ শতাংশের মধ্যে। বরিশাল বোর্ডে গড় পাসের হার কম, আবার ইংরেজি বিষয়ে পাসের হার ৫৪ শতাংশের মতো। বাধ্যতামূলক আইসিটি বিষয়েও পাসের হার তুলনামূলক কম। সব বোর্ডেই এ বিষয়ে পাসের হার ৮০ শতাংশের নিচে।

.

ইংরেজি ও আইসিটি বাধ্যতামূলক বিষয় হওয়ায় এসব বিষয়ে বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার প্রভাব সামগ্রিক ফলেও পড়েছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পাঠদান, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের প্রাপ্যতা, শ্রেণিকক্ষে ইংরেজি শেখানোর পরিবেশ এবং পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন—সবকিছুই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

এবার এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র নিয়ে নানা ধরনের ভুল ও অসংগতির অভিযোগ উঠেছিল। পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের দুটি প্রশ্নে ভুলের বিষয়টি সরকার স্বীকারও করেছিল। ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বিষয়েও প্রশ্নপত্রে কিছু অসংগতির অভিযোগ করেছিলেন পরীক্ষার্থীরা।

.এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষার তারিখ জানা যাবে ৩ নভেম্বরের মধ্যে.

প্রশ্নপত্র বিতরণেও কিছু গরমিল হয়। কোথাও নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের হাতে দেওয়া হয়েছে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য তৈরি প্রশ্নপত্র, কোথাও আবার প্রথম পত্রের পরীক্ষার জায়গায় নেওয়া হয় দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি এবং তদন্তের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে পরীক্ষা নেওয়ায় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তনও ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে এসব কারণের কোনটির প্রভাব কতটা, তা নির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের শিখনঘাটতি, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মান এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন শিক্ষা–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শেখায় যে ঘাটতি ছিল, তা পরিলক্ষিত হয়েছে। আগামী দিনে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। গতকাল সচিবালয়ে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফলাফলে কোনো ত্রুটি আছে কি না, তা পুনর্মূল্যায়নের পর বোঝা যাবে।

.

এবার এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীরা আগামী এক মাসের মধ্যে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়ে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ কথা বলেন।

বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাঁকে এক বছর পর, অর্থাৎ পরের বছরের পরীক্ষায় আবার বসতে হয়। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়গুলো অথবা চাইলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু একটি বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে একজন শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করতে হয়।

.

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, এবার এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পর‍ীক্ষার্থী ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। আর এক বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন পরীক্ষার্থী।

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেছেন, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের আবার পরীক্ষার তারিখ, ফরম পূরণের সময়সূচি ও ফি কত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ৩ নভেম্বরের মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে।

ঢাকা বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২ ডিসেম্বর এই পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না, সে বিষয়ে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হচ্ছে। একই সঙ্গে ডিসেম্বরেই ফল প্রকাশের চিন্তাভাবনা আছে, যাতে উত্তীর্ণরা উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পান।

.

এবারের এইচএসসির ফলাফলে অবনতির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আমিরুল আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষকদের মান, মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা না বাড়ালে শিক্ষার এই দুরবস্থা কাটবে না। শিক্ষকের মান বাড়লে শিক্ষার্থীদের মান ও শিক্ষার গুণগত মানও বাড়বে। কিন্তু কোনো সরকারই এ বিষয়ে যথেষ্ট নজর দিচ্ছে না। দেশের ৯০ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকার যে পরিমাণ ভবন ও অবকাঠামোগত সুবিধা তৈরি করেছে, তার অর্ধেক অর্থও যদি শিক্ষক ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ব্যয় করা হতো, তাহলে শিক্ষার মান আরও অনেক বাড়ত।

তাঁর মত, বছরের পর বছর ধরে অনেক স্কুল-কলেজে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, যার এক ভাগও শিক্ষা কার্যক্রমে কাজে লাগে না। এগুলো অর্থের অপচয়। প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও কার স্বার্থে এত ভবন নির্মাণ করা হয়েছে? আসলে চুরির জন্যই এসব করা হয়েছে।

আমিরুল আলম খান বলেন, সব সরকারের সময়েই শিক্ষকদের মানোন্নয়নে গুরুত্ব কম। এটি সরকারের দায়িত্ব। যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি কর্মরত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আরও দক্ষ করে তুলতে হবে। শিক্ষকদের মান না বাড়িয়ে শিক্ষার মান বাড়ানোর পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত নয়।




এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি।

© বিডি ২৪ নিউজ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

  বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা,আটকের দাবি : এ্যাংকর সিমেন্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অর্থপাচার, বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ : তদন্তে দুদক ও ভ্যাট গোয়েন্দা   বরিশাল স্বাস্থ্যখাতে শত কোটি টাকার দুর্নীতি: পিপলাই পরিবারের টেন্ডার সিন্ডিকেট উন্মোচন   ইফতারে বৈষম্যের অভিযোগ: ভিআইপি ও সাধারণ কর্মচারীদের আলাদা মেন্যু, সমালোচনায় বরিশাল সিটি করপোরেশন   বরিশালের হলিমা খাতুন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা   পটুয়াখালী মেডিকেলে ৭৬ কোটি টাকার টেন্ডার বাতিল হলেও জড়িতরা বহাল তবিয়তে   রাজাপুর এলজিইডির প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদারের বিরুদ্ধে বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ   বরিশালে বদলি ঠেকাতে ৩ শিক্ষকের গ্রেফতার নাটক   বরিশালের সেই বিতর্কিত এডলিন বিশ্বাষ পুলিশের হাতে আটক   না ফেরার দেশে বেগম খালেদা জিয়া   রাজশাহী গণপূর্তে টেন্ডারের আগেই ভাগ হচ্ছে কাজ : প্রশ্নের মুখে নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুল ইসলাম   বরিশালের রুপাতলী ‘খাবার বাড়ি’ রেস্তোরাঁকে ১ লাখ টাকা জরিমানা   বাকেরগঞ্জে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে গরু চুরির অভিযোগ   নলছিটিতে বৈদ্যুতিক ফাঁদে প্রাণ হারালেন কৃষক বাচ্চু মল্লিক   বদলি-নিয়োগ-দুর্নীতি, সিন্ডিকেটের দখলে প্রাথমিক শিক্ষাঅধিদপ্তর   উজিরপুরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে বলৎকারের অভিযোগ,জুতা পেটা   বদলি-বাণিজ্য, ঘুষ নিয়ন্ত্রণ করতেন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে, ছয় বছরের সাম্রাজ্য শাহজাহান আলীর   বরিশালে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের জায়গা দখল চেষ্টার অভিযোগ   বরিশালে বিসিক উদ্যোক্তা মেলায় স্টল বরাদ্দে অনিয়ম   বরিশাল কর অফিসের রতন মোল্লার হাতে আলাদিনের চেরাগ,একই কর্মস্থলে ১০ বছর   বরিশালের ১৬টি আসনে বিএনপির প্রার্থী যারা
Translate »