
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাস যত দিন থাকবে, তত দিন ৭ নভেম্বরও থাকবে। জিয়াউর রহমান ইতিহাসে নায়ক হিসেবেই থাকবেন। তাকে খলনায়ক বানানো যাবে না। খলনায়ক ছিলেন খালেদ মোশাররফ। তিনি ১৫ আগস্টেও খলনায়ক ছিলেন, আবার ৭ নভেম্বরেও খলনায়ক ছিলেন।মন্ত্রী আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ভিত্তি তৈরি করে দিয়ে গেছেন। তিনি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন। তাঁর রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীও ছিল। জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করলেও তিনি দলটিকে রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়েছিলেন।শনিবার সিরাজগঞ্জ শহরের জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, ‘আমাদের দেখতে হবে, মানুষটি কী করেছেন। ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশকে স্বাধীন করেনি। বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে এ দেশের মানুষ। সেটি ছিল জনযুদ্ধ, আর সেই জনযুদ্ধে জিয়াউর রহমান নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।’জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু।