
দেশের বিভিন্ন স্থানে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, দেশাত্মবোধক গান ও র্যালির আয়োজন করা হয়। রংপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন দিবসটি উপলক্ষে রংপুরে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুরে নগরীর গ্র্যান্ড হোটেল মোড়স্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালিটি বের হয়। মহানগর বিএনপির আয়োজিত র্যালিটি নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিলা স্কুল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। এদিকে জেলা বিএনপি নগরীর পাবলিক লাইব্রেরির মাঠ থেকেই র্যালি বের করেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম। দিবসটি উপলক্ষে সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা সভা হয়।চট্টগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন চট্টগ্রামে নগরের বিপ্লব উদ্যানে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেনও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। অন্যদিকে সকাল দশটা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নানা কর্মসূচি পালন করেছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে ছিল র্যালি, আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, আগামী প্রজন্মকে দেশের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। কেননা ইতিহাস বারবার রচিত হয় না। তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রের প্রয়োজনে এ দেশের সিপাহি জনতা ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ঐক্যবদ্ধ হয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেন। তিনি দায়িত্ব পেয়েই বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার হাত ধরেই বাংলাদেশ তার পথ খুঁজে পেয়েছিল। সিপাহি-জনতা সেদিন জিয়াকে ক্যান্টনমেন্ট থেকে জনতার কাতারে না আনলে দেশের রাজনীতি অন্য ধারায় চলে যেত। জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়নে সবাইকে কাজ করতে হবে : কৃষিমন্ত্রীশহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য, কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হাজী মো. আমিনুর রশিদ। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত র্যালির আগে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ দিবসের মূল অনুপ্রেরণা হচ্ছে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও একত্রিত করা।দিবসটি উপলক্ষে এদিন সকাল ১১টায় নগরীর কান্দিরপাড় এলাকায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। কর্মসূচিতে কুমিল্লা জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। ববিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা হলে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর আক্রমণের পর মেজর জিয়াউর রহমানের বিদ্রোহ ঘোষণা এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ঘটনা। তবে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি। এরই ধারাবাহিকতায় সৃষ্টি হয় ৭ নভেম্বরের। খুলনায় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিকেলে খুলনায় বর্ণাঢ্য র্যালি বের করে বিএনপি। র্যালি শেষে নগরীর শিববাড়ি মোড়ে নির্মিত মঞ্চে দলের মহানগর ও জেলা শাখার শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্র পরিচালনায় সীমাহীন ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছিল। তারা অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করে। বাকশালী দুঃশাসনের ফলে দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা। ইবিতে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন, র্যালি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, নীরবতা পালন ও বিশেষ দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে অনুষ্ঠান শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান। নতুন প্রজন্মকে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিলনতুন প্রজন্মকে ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ৭ নভেম্বরের প্রধান অর্জন জাতীয়তাবাদ : চবি উপাচার্যঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি থেকে বাংলাদেশের প্রধান অর্জন জাতীয়তাবাদ বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। চবি উপাচার্য বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে জাতীয়তাবাদ দর্শনের সৃষ্টি হয়েছিল। রাজশাহীতে বিএনপি ও জামায়াতের আলোচনা সভা এদিকে দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহীতে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র্যালি করেছে মহানগর ও জেলা বিএনপি। বিকেলে নগরীর বাটার মোড়ে আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সেখান থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী ও রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু। এছাড়া দিবসটি উপলকক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরী আলাদা আলোচনা সভার আয়োজন করে। শনিবার বিকেলে দলটির নিজস্ব কার্যালয়ে এ সভা আয়োজিত হয়। সভায় নেতারা বলেন, জাতীয় ঐক্য ও সংহতি একটি দেশের অগ্রগতি, স্থিতিশীলতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার অন্যতম ভিত্তি। মত ও পথের ভিন্নতা থাকলেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোটালীপাড়ায় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোচনা সভাগোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বক্তারা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরেন। শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের লাল শাপলা হলে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ-উল-আরেফীন।উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার জসীম উদদীনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম শাহজাহান সিরাজ, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার কুমার মৃদুল দাস, জেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী দাড়িয়া, সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান হাওলাদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মান্নান শেখ ও সাংবাদিক মিজানুর রহমান বুলু। বক্তারা বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিনের ঘটনাপ্রবাহ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গভীর প্রভাব ফেলেছে। জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে দিবসটির তাৎপর্য রয়েছে। বিভেদ ও বিভাজন ভুলে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং দেশের স্বার্থে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।বক্তারা আরও বলেন, ইতিহাসের সঠিক চর্চা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা এবং দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। আলোচনা সভার শুরুতে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা জাতীয় সংগীত ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন। সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিল্পব ও সংহতি পালিত হয়েছে। দিবসটি পালনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১১ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিধান কান্তি হালদারের সভাপতিত্বে তার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় দিবসটির উপর আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার( ভূমি) সাইফ উদ্দিন উপজেলা কৃষি অফিসার জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস উপজেলা প্রকৌশলী হোসেন আলী ওসি আব্দুল কুদ্দুস অধ্যক্ষ আবু হেনা মোস্তফা কামাল বীর মুক্তিযোদ্ধা দবিরুল ইসলাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাজ্জাদ আল মামুন শিক্ষার্থী মিতিশা বেগম ও নবাবগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মতিয়ার রহমান। সভায় সরকারি কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক শিক্ষার্থী রাজনৈতিক ব্যক্তি অংশ গ্রহণ করেন। শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান হয়।পীরগঞ্জ (রংপুর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিতরংপুরের পীরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুন নবী চৌধুরী পলাশ, উপজেলা জামায়াতের আমির মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৭ নভেম্বরের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য দেন। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোচনা সভাশ্রীনগরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০ টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাছিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হক তানিয়া, শ্রীনগর থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো. জসিম উদ্দিন, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ সংসদ আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ইউনুস আহমেদ প্রমূখ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ বিন সাদেক, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার অনিক রায়, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. কিবরিয়া জামান, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. রাশেদ আলম, উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর নাসরিন সুলতানা মিলিসহ সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আলোচনা সভা শেষে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বিবসটি উপলক্ষে শ্রীনগর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সমন্বিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিতনীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত পালিত হয়েছে। শনিবার অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে দিবসের শুভ সূচনা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমানের সভপতিত্বে আলোচনা সভা হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার লোকমান আলম। এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা জামায়াতের আমীর আব্দুর রশিদ শাহ্, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপির প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন, অধ্যক্ষ মুকুল হোসেন, প্রেস ক্লাব সভাপতি আবু হাসান শেখ, ছাত্র প্রতিনিধি মোতালেব হোসেন প্রমুখ। বিভিন্ন অফিসের সরকারী কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, বিভিন্ন সংগঠনের ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে। এর আগে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রচনা-চিত্রাংকণ প্রতিযোগিতা হয়। পরে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমান ও বিএনপি সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিকালে স্থানীয় স্টেডিয়াম মাঠে প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।নওগাঁয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালননওগাঁয় আলোচনাসভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’২০২৬ পালিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য মোঃ জাহিদুল ইসলাম ধলু। এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো: আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এবং সিভিল সার্জন ডাক্তার মো: আমিনুল ইসলাম। পরে এ অনুষ্ঠানে দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতা’র বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এদিকে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয় সভাকক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড: মো. তারিকুল ইসলামরে সভাপতিত্তে দিবসটি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচরা সভা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিম্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ডঃ মোঃ হাসানাত আলী।চাটমোহরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সারাদেশের মতো পাবনার চাটমোহরেও আয়োজন করা হয় আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। শনিবার সকালে চাটমোহর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ইউএনও খালিদ হাসান এর সভাপতিত্বে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন এসিল্যান্ড মো. মজিবুর রহমান, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. অলিউর রহমান, বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান আরশেদ, রবিউল করিম তারেক, ভিপি সেলিম রেজা, অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম কালু, মুক্তিযোদ্ধা ইগ্নাসিউজ গমেজ, চাটমোহর প্রেসক্লাবের সভাপতি রকিবুর রহমান টুকুন, ফুলচাঁদ হোসেন শামীম প্রমুখ। পরে জাসাস এবং চাটমোহর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।দৌলতখানে ১৭ বছর পর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির সমাবেশভোলার দৌলতখানে ১৭ বছর পর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করছে উপজেলা বিএনপি। এ উপলক্ষে শনিবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে উপজেলা বিএনপির কার্যালয় পতাকা উত্তোলন শেষে ভোলা -২ আসনের এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের নেতৃত্বে পৌরশহরে একটি র্যালি বের করা হয়। উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ সহস্রাধিক দলীয় নেতা কর্মীদের এই বিশাল র্যালিটি উত্তর বাজার গিয়ে শেষ হয়। পরে শহীদ মিনার চত্বরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, হাফিজ ইব্রাহিম এমপি। তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদ দুঃশাসনের দীর্ঘ ১৭ বছর এই প্রথম আমরা মুক্ত পরিবেশে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করছি। হাসিনা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে আন্দোলনে বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম ভোলার নূরে আলম এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের আব্দুর রহিম শহীদ হন। হাফিজ ইব্রাহিম আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জাতীয় বিপ্লবের মাধ্যমে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। ৭৫ এর দুঃশাসন থেকে দিয়েছেন স্বাধীনতা। সমাবেশে তিনি সবাইকে জিয়াউর রহমানের আদর্শ লালন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।